জয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ পরিচালক

0

কলকাতার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নন্দনের এক নম্বর প্রেক্ষাগৃহে ‘কণ্ঠ’ ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনী শুক্রবার (১০ মে) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ‘কণ্ঠ’ ছবি তৈরির প্রেক্ষাপট জানিয়ে বলেন ছবিটিতে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত বাচিক শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এসময় ছবির কলাকুশলীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। ছবিতে অভিনয় করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়া আহসান। তাঁকে এক নজর দেখার জন্য দর্শকদের মধ্যে ছিল আগ্রহ।
‘কণ্ঠ’ ছবিটি যৌথভাবে নির্মাণ করেছেন নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানান, একটি সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁদের এই ছবি। এক পরিচিত মুখের এভাবে কণ্ঠ হারানোর ঘটনা তাঁকে এই ছবি তৈরি করতে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

একজন বাচিক শিল্পীর (রেডিও জকি) ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কণ্ঠ হারিয়ে কণ্ঠ ফিরে পাওয়ার এক লড়াইয়ের গল্প। বেঁচে থাকার জন্য জীবনসংগ্রামের এক টুকরো ছবি। বাচিক শিল্পী অর্জুন মল্লিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ছবির পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শিবপ্রসাদের স্ত্রী পৃথা মল্লিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পাওলি দাম আর স্পিচ থেরাপিস্টের ভূমিকায় জয়া আহসান।

পরিচালক শিবব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ছবিটি করার আগে আমি দশবার ভেবেছি। এই ছবির স্পিচ থেরাপিস্টের ভূমিকায় জয়া আহসান ছাড়া দ্বিতীয় তারকা নেই। তাই আমি জয়াকে নিয়েই ছবিটি করার সিদ্ধান্ত নিই। একটি চ্যালেঞ্জিং ছবি। অপূর্ব অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। আর জয়ার কোনো তুলনা নেই। এই ছবির ওই চরিত্রের জন্য জয়া শতভাগ উপযুক্ত ছিল।

নন্দিতা রায় বলেছেন, এই ছবির সেরা পুরস্কার হলো বাংলাদেশ থেকে পাওয়া জয়া আহসান। দারুণ অভিনয় করেছেন। অনবদ্য অভিনয়। সাবলীল অভিনয়।

জয়া আহসান একগাল হেসে বললেন, অনেক খুশি হয়েছি। দারুণ লেগেছে এই ছবিতে অভিনয় করতে পেরে। প্রাণখুলে অভিনয় করেছি। দারুণ লেগেছিল আমার চরিত্রটি। আর আমিও চরিত্রটি রূপায়ণের জন্য অনেক পড়াশোনা করেছি। দৌড়িয়েছি স্পিচ থেরাপি সেন্টারে। তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। কাজ করেছি তাদের সঙ্গে। তাদের পরামর্শ নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এবার বিচার করবেন কলকাতার দর্শক।

আমি মনে করি, ছবিটি দর্শকদের ভালো লাগবে। ছবিটি দেখে তাঁরা উৎসাহিত হবেন। অনুপ্রাণিত হবেন। অনেক অজানা কথা জানতে পারবেন। কীভাবে মানুষ নিজের জীবন ও কণ্ঠ ফেরানোর জন্য নিরলস লড়াই করতে পারে, তা-ই মূর্ত হয়ে উঠেছে ছবিতে। কণ্ঠ ভালো লাগলে বুঝব আমার অভিনয় সার্থক হয়েছে। ছবিটি মানুষকে উৎসাহিত করবে। বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পথ দেখাবে, অনুপ্রেরণা জোগাবে।

জয়নিউজ/বিশু
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...