বিদায়ী শ্রাবণনৃত্যে অরিত্রা

0

মেঘমেদুর দিন। ক্যালেন্ডার থেকে বিদায় নিয়েছে শ্রাবণের পাতা। মাথার উপর বিদায়ী শ্রাবণবরিষণ অলস আকাশ। পায়ের নিচে কলকাতার পুরাতন এক সাধারণ ছাদ। সেই ছাদই হয়ে উঠেছে ময়ুরাক্ষী নৃত্যালয়। শিল্পী অরিত্রা মুখোপাধ্যায়ের নৃত্যভঙ্গির যে ঋজুতা, শরীরি দৃপ্ততা তা আবার একই সঙ্গে তুলে ধরে স্নিগ্ধতা! ভিডিওটির শুরু ‘এমন দিনে তারে বলা যায়/এমন ঘনঘোর বরিষায়’ গানে কত্থক নৃত্যের আঙ্গিকে রবিপ্রণাম জানিয়ে। নৃত্যগীত ভিডিওটি রইলো আজ জয়নিউজ’র পাঠক দর্শকদের জন্য।

বাংলা সাহিত্য নিয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী অরিত্রা মুখোপাধ্যায়। কবিগুরুর জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ির টেগোর রিসার্চ সেন্টারের পাঠ নিয়ে বিএড অধ্যয়ন করছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কলেজে। জয়নিউজকে শিল্পী জানান, নৃত্যশিল্পের সাথে যুক্ত বিগত ১৩ বছর ধরে। মূলত বাংলা সাহিত্য চর্চার চেষ্টা করলেও নাচের পাশাপাশি হাতে বানানো গহনার একটি ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগকেন্দ্র আছে তার। ফেসবুকে যার নাম ‘সাঁঝবাতি’।

নৃত্যকলার ইতিহাসে ভারতীয় নৃত্যকলা হচ্ছে প্রাচীন নৃত্যকলার অন্যতম। নৃত্যকলা মানুষের মনোদৈহিক প্রকাশভঙ্গি। তেমনিই প্রকাশভঙ্গি অরিত্রা মুখোপাধ্যায়ের। কী অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন দেহের ছন্দ। সঙ্গে গানের সুরও আছে সঠিক মাত্রায় বাঁধা। নৃত্যরচনার বিভিন্ন প্রকরণকে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে ধারণকারী শিল্পী অরিত্রার নান্দনিক চমৎকার নৃত্যটি জয়নিউজবিডি’র পাঠক-দরর্শকদের নিবেদনে আরো নিখুঁত হয়ে ধরা দিবে।

বিদায়ী শ্রাবণ ব্যথায় কলকাতার আকাশে ভরা বর্ষা। অরিত্রার নৃত্যছন্দ বৃষ্টিদের এজমালি থেকে মেঘ খসানো খেয়াপথ দেখায়। শ্রাবণ দিনে যে মায়াবী পথের শেষে যে ভাবে ‘মেঘদূত’ এক প্রেমিকের জন্য মেঘ ভেসে এসেছিল তার প্রয়েসীর কাছে কুশলবার্তা পৌঁছে দিতে। হৃদয়ের আনাচকানাচে তাই তো এই সমর্পণ “এমন দিনে তারে বলা যায়’ এমন ঘনঘোর বরিষায়…।’’

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...