স্বপ্নের দার্জিলিং ও নয়নাভিরাম কাঞ্চনজঙ্ঘা

0

দার্জিলিং। নাম শুনলেই মনে হয়, ইস্ যদি ঘুরে আসতে পারতাম। স্বপ্নের শহর যেমন হয় দার্জিলিং ঠিক সেইরকম। হিমালয়ের অপরূপ দৃশ্য, নয়নাভিরাম প্রকৃতি, মিষ্টি শীতের আমেজ, দিগন্তছোঁয়া পাহাড়, টয়ো ট্রেন, আকাশ ও মেঘের অবিরাম লুকোচুরি। কি নেই এ শহরে! সুন্দর পরিপাটি একটি রাজ্য। দার্জিলিং পুরোটাই পাহাড়ের উপরে। বাংলাদেশে যখন শীত পড়তে শুরু করে, তখন দর্জিলিংয়ে বরফ পড়ে। আর বাংলাদেশে যখন প্রচণ্ড গরম, তখন দার্জিলিংয়ে মিষ্টি শীতের কোমল ছোঁয়া। আকাশের খুব কাছে দার্জিলিং শহর। পাহাড়ের উপর উঠলে মনে হয়, মেঘের দেশে চলে এসেছি। মেঘ নিজে এসে ধরা দেয়। ক্ষণে ক্ষণে প্রকৃতি রূপ পাল্টায় এই শহরে। তাই দার্জিলিং নামটা শুনলেই অন্যরকম একটা ভালোলাগা কাজ করে সবার মধ্যে । আমিও এর ব্যতিক্রম নয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি শহরের নাম দার্জিলিং। এই শহর নিম্ন হিমালয়ের মহাভারত শৈলশ্রেণীতে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭,১০০ ফুট (২,১৬৪.১ মিটার) উচ্চতায় অবস্থিত। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ১,২৩৪ বর্গমাইল (৩,২০০ কিমি) এলাকা নিয়ে দার্জিলিং জেলা গঠিত হয়, যা বর্তমানে একই আকারে রয়ে গেছে। গ্রীষ্মকালে সমতলভূমির প্রচণ্ড দাবদাহ থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ আধিকারিকেরা দার্জিলিংয়ের মনোরম আবহাওয়ায় বসবাস শুরু করলে দার্জিলিং একটি শৈলশহর ও স্বাস্থ্য উদ্ধারকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। আর্থার ক্যাম্পবেল ও রবার্ট নেপিয়ার এই শৈলশহর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা নেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় ১৮৩৫ থেকে ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পাহাড়ের ঢালে চাষাবাদ ও ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হলে দার্জিলিংয়ের জনসংখ্যা শতগুণ বৃদ্ধি পায়।

ছোটবেলা থেকে ঘুরতে ভালোবাসি। সময় সুযোগ হলেই ঘুরে বেড়াই দেশের এ প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। আর মাঝেমধ্যে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতেও। আইন পেশা ও সাংবাদিকতা দুটো একসাথে হওয়ায় লম্বা ছুটি পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু ছুটিটা ম্যানেজ করে নিয়েছি। ভারতীয় ভিসা আগে থেকে ম্যানেজ করে রাখায় কোনো কিছুই আর বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারল না। আমার সাথে যোগ দেন এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রনেতা ইলিয়াছ উদ্দিন ও ছোট ভাই রাকিব হায়দার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী সোহাগ বাসে করে সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম থেকে রওনা দিলাম ভারতের উদ্দেশে। পরদিন বেলা ১২টার মধ্যে বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর কথা থাকলেও, যানজটের কারণে পৌঁছাই সন্ধ্যা পৌঁনে ৬টায়। দ্রুত ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে ৬টার মধ্যেই সীমান্ত অতিক্রম করলাম। সীমান্ত পেরিয়ে সেখান থেকে আবার সোহাগ বাসে রওনা দিলাম কলকাতার উদ্দেশে। কলকাতা পৌঁছে রাতের খাবার খেয়ে উঠে পড়লাম হোটেলে। পরদিন সকালে উঠে প্রথমইে করে নিলাম শিলিগুড়ি যাওয়ার বাসের টিকেট। বাস যাত্রা করবে রাত ৮টায়। সারাদিন কি করবো! প্ল্যান করলাম কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে নেয়ার। ভিক্টোরিয়া পার্ক, মিউজিয়ামসহ উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে নিলাম।

রাতে রওনা দিলাম শিলিগুড়ির উদ্দেশে। সকাল ৮টায় পৌঁছে গেলাম শিলিগুড়িতে। শিলিগুড়ি থেকে সুমো জিপে করে আড়াই ঘণ্টা পথ শেষে পৌঁছলাম দার্জিলিংয়ে। শিলিগুড়িতে আমাদের দলে যোগ দেন কলকাতার তিনজন। তারা হলেন ব্যবসায়ী সুমন কুমার, তার স্ত্রী টুম্পা ও মেয়ে বৈষ্ণবী (সোনাই)। শিলিগুড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার যাওয়ার পর শুরু হবে আঁকাবাঁকা সর্পিল পথ। যখন পাহাড়চূড়ার আঁকাবাঁকা পথে চলতে থাকবেন তখন মনে হবে এই দূরত্ব আরো একটু বেশি হলেই বোধহয় ভালো হতো। চলার পথে আপনাকে সঙ্গ দেবে চারপাশের অসাধারণ সুন্দর সব পাহাড়। কখনও চারপাশ থেকে ঢেকে দেবে মেঘ। হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যায় মেঘ। কখনওবা পাহাড়ের ঢালে সরু রাস্তার আরেক পাশেই গভীর খাদ। এ এক ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’ দৃশ্য।

পাহাড়ের মাঝে মাঝে বসতি। নিচ থেকে পাহাড়ের উপরের বাড়িগুলো খুব ক্ষুদ্র দেখায়। আবার উপর থেকেও নিচের বসত বাড়িগুলো ক্ষুদ্র দেখায়। বিমানের উপর থেকে যেমন সবকিছু ছোট দেখায়, পাহাড়ের উপর থেকে নিচের সমতলের ঘরবাড়িগুলো তেমন দেখায়। অনেক উপরে ওঠার পর মেঘের জন্য আর নিচের কোনোকিছু দেখা যাচ্ছিল না। কেমন ঝাপসা দেখাচ্ছিল সব। এরপরও উঠতে থাকি। উপরের দিকে। পাহাড়ি রাস্তাগুলোর মোড় কেমন ভয়ঙ্কর। মাঝে মাঝে ১৮০ ডিগ্রি টার্ন। পাশে তাকালেই পাহাড়ের পাদদেশ। কোনোভাবে পড়লে নিজেকে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। কেউ মনে হয় না খুঁজতেও আসবে। দার্জিলিং পৌঁছে খোঁজখবর নিয়ে উঠে গেলাম ডলফিন নামে এক বাঙালি হোটেলে। পরদিন বেরিয়ে গেলাম দার্জিলিং এর দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে।

টাইগার হিল: আগের রাতেই টাইগার হিলে যাওয়ার জন্য গাড়ি ঠিক করে রাখতে হয়। টাইগার হিলে সবাই যায় সূর্যোদয় দেখতে। আর তা দেখার জন্য বের হতে হয় ভোর ৪টায়। টাইগার হিল দার্জিলিং এর সবচেয়ে উঁচু যায়গা। মূল টাউন থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। আর জিপে করে পৌঁছাতে প্রায় ৪০ মিনিটের মতো লাগে। সেখানে গিয়ে দেখলাম মানুষের জটলা। কিছুক্ষণ পর পূর্বদিকে আস্তে আস্তে লাল আভা দেখা যাচ্ছিল। ক্রমেই এটা বাড়তে লাগলো। একসময় সূর্যিমামা উঁকি দিলো। সাথে সাথে সবাই চিৎকার করে উঠল। আনন্দ উল্লাস। আসলেই সূর্যোদয় সুন্দর দেখায় টাইগার হিল থেকে। টাইগার হিল থেকে ফেরার পথে আরো দুইটা স্পট পড়ে। একটা হচ্ছে বৌদ্ধমন্দির, নাম মনেস্ট্রি। মনেস্ট্রিতে গিয়ে বিস্মিত হলাম। সেখানকার শ্রমণরা আমাদের জিজ্ঞেস করল, ‘কোন দেশ থেকে এসেছেন?’ আমি বললাম, ‘বাংলাদেশ থেকে।’ তখন তারা বললো, ‘ওহ্ তামিম, তাসকিন, মোস্তাফিজের দেশ!’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘আপনারা কি তাদের চেনেন?’ শ্রমণরা বললো, ‘হ্যাঁ, অনেক ভালোই জানি তাদের ব্যাপারে। এরপরের স্পট বাতাসিয়া লুপ।

বাতাসিয়া লুপ: বাতাসিয়া লুপে কিছু ফুলগাছ সুন্দর করে সাজানো আছে। এটা ছোট রেললাইনের একটা রাস্তা বা লুপ। যেটা সুন্দর, তা হচ্ছে বাতাসিয়া লুপ থেকে দার্জিলিং শহরের ভিউ। এখান থেকে দার্জিলিংয়ের অনেক অংশের অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়। বাতাসিয়া লুপ দেখার পর বেরিয়ে খেয়ে নিলাম সবজির পিঁয়াজু। তখন সকাল সাড়ে ৮টা মাত্র। তারপর হোটেলে ফিরে গেলাম। সকালের নাস্তা খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম রক গার্ডেন দেখতে।

রক গার্ডেন: রক গার্ডেন দার্জিলিং শহর থেকে অনেক নিচে। যাওয়ার পথে অনেকগুলো চা বাগান চোখে পড়ল। আর নিচ থেকে দার্জিলিং শহরও চোখে পড়ল। আবহাওয়াটা ভালো থাকায় সবকিছু দারুণ লাগছিল। চারপাশটা দেখতে দেখতে রক গার্ডেন পৌঁছালাম। রক গার্ডেন একটা ঝর্ণা। ঝর্ণাটা এত বেশি বড় না। কিন্তু সুন্দর। ঝর্ণার চারপাশটা আরো সুন্দর। পাহাড়, মেঘ আর আকাশের নীল মিলে চমৎকার।

চৌরাস্তা ও মল: এটা দার্জিলিংয়ের মূলকেন্দ্র। চৌরাস্তার পরেই রয়েছে মল। এখানে অনেকটাই সমতল ভূমি। অনেক মানুষ জড়ো হয় এখানে। চারপাশ সুন্দরভাবে দেখা যায়। এখানে রয়েছে একটা স্টেজ। কনসার্ট বা বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয় এই স্টেজে। চৌরাস্তার আরো উপরে রয়েছে অবজারভেটরি হিল এবং মহাকাল মন্দির । এখান থেকে সবকিছু সুন্দরভাবে দেখার কথা। কিন্তু গাছ গুলো বিশাল বিশাল। গাছের জন্য চারপাশে কিছুই দেখা যায় না।

কাঞ্চনজংঘা দর্শন: নামটি শুনে মনে করছেন এটি কি? কাঞ্চনজংঘা হচ্ছে এভারেস্টের চূড়া। আপনি নেপালে গিয়ে এভারেস্ট দর্শন করতে পারেন বা না পারেন, দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজংঘা দেখতে পাবেন। আমার হোটেল রুম থেকেই দেখা যায় কাঞ্চনজংঘা। এ রূপ দেখে আপনি কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে যাবেন। প্রকৃতির রূপ এত সুন্দর কিভাবে হয়!

টয়োট্রেন: দার্জিলিং আসবেন টয়োট্রেনে চড়বেন না, তা কি হয়! দার্জিলিংয়ের ইতিহাসের সাথে টয়োট্রেনের সম্পর্ক নিবিড়। টয়োট্রেনের মাধ্যমে দার্জিলিং শহর ঘুরে দেখতে পারবেন আপনি। ঘুম স্টেশন থেকে শুরু হয়ে ট্রেনটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে আকাবাঁকা পথ পেরিয়ে ফের ঘুম স্টেশনে আপনাকে পৌঁছে দেবে। এতে আপনার খরচ হতে পারে ১৩০০ রুপি। আপনি ঘুরতে পারেন চিড়িয়াখানা, তেনজিং রাইড, পার্ক ভিউ রাইড, মিউজিয়াম, কালিম্পং, লাভা ইত্যাদি মনোরম স্থান।

আশপাশের শহর ও দেশ: দার্জিলিং শহর ভ্রমণের মাধ্যমে আপনি দু’টি বাড়তি সুবিধা পাবেন। তা হচ্ছে নেপাল ও ভুটান ভ্রমণের সুযোগ। ভারতীয় ভিসা গ্রহণের সময় যদি আপনি নেপাল ও ভুটান ভ্রমণের অনুমতি নিয়ে যান, তবে আপনার ভ্রমণ হবে বাম্পারহিট। এছাড়া মিরিখও ঘুরে আসতে পারেন। সেখানে রয়েছে দার্জিলিংয়ের বিখ্যাত চা বাগানগুলো।

শ্রমণদের সাথে লেখক।

কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে শ্যামলী, সোহাগ ও গ্রিনলাইন বাসে করে বেনাপোল বা বুড়িমাড়ি সীমান্ত দিয়ে আপনি দার্জিলিং ভ্রমণ করতে পারবেন। আর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে যেতে হলে গরীবউল্লাহ শাহ (রা.) মাজার প্রাঙ্গণ থেকে সোহাগ, গ্রিনলাইন বা শ্যামলী গাড়িতে করে কলকাতা হয়ে দার্জিলিং যাওয়া যায়। আরেকটি সুবিধাজনক পথ হচ্ছে রংপুরের বুড়িমাড়ি সীমান্ত দিয়ে। কারণ বুড়িমারি অতিক্রম করে সরকারি বাসে করে ৬০ টাকায় আপনি পৌঁছে যেতে পারেন শিলিগুড়িতে। এর ফলে বেনাপোল সীমান্ত থেকে সময় ও অর্থ দুটিই সাশ্রয় হবে। মনে রাখবেন, ট্র্যাভেল ট্যাক্স ৫০০ টাকা দিতে হবে। এটা রওনা দেওয়ার আগেই সোনালী ব্যাংক থেকে দিয়ে যাওয়াই ভালো। তবে খূশির খবর এখন ভারতীয় ভিসা দিয়ে যে কোনো সীমান্ত দিয়ে যাওয়া-আসা যায়।

ভিসা: ভারতের ভিসার সব ডক্যুমেন্টই (ন্যাশনাল আইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট/ডলার এনডোর্স/ক্রেডিট কার্ডের ফটোকপি, লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ইত্যাদি) লাগবে। আর পোর্ট অব এন্ট্রি এক্সিট চ্যাংড়াবান্ধা সিলেক্ট করুন।

কখন যাবেন: দার্জিলিং সারাবছরই যেতে পারেন। নভেম্বর-ডিসেম্বরে খুব বেশি ভিড় থাকে। কারণ ওই সময় দার্জিলিংয়ে বরফ পড়ে। আর দার্জিলিং যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে যান। যেমন সঙ্গে রাখবেন পর্যাপ্ত শীতের কাপড়।

কোথায় থাকবেন: পুরো দার্জিলিং শহরে হাজারো হোটেল ও কটেজ আছে। ৫০ হাজার রুপি থেকে শুরু করে ১,৫০০ টাকার রুম রয়েছে। এক রুমে ৩/ ৪ জন থাকতে পারবেন। তবে হোটেল ঠিক করতে দালালের পাল্লায় পড়বেন না। সময় নিয়ে নিজেই যাচাই-বাছাই করে হোটেল ঠিক করবেন।

কোথায় খাবেন: দার্জিলিংয়ে খাবারের দোকানের অভাব নেই। বাংলা খাবারের পাশাপাশি যে কোনো খাবার আপনি পেতে পারেন। খরচ পড়বে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা জনপ্রতি। আবার অনেকজন একসাথে খেলে খরচ কমে যাবে। মলের নিচেই একটি মসজিদ আছে। মসজিদের পাশেই পাবেন মুসলিম হোটেল। মসজিদের পাশেই তাদের ব্যবস্থাপনায় একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যেখানে মুসলমানদের জন্য মাত্র ৭০০ টাকায় রুম ভাড়া দেয়া হয়।

টিপস:
১. দার্জিলিংয়ে ডলার ভাঙানো খুব সমস্যা। ব্যাংকিং আওয়ারের মধ্যে আসতে পারলে ব্যাংক থেকে ভাঙান। না পারলে মলে কিছু নেপালি বা বাঙালি দোকানে ডলার ভাঙাতে পারেন।
২. ড্রাইভারদের সাথে কথা বলার সময় সাবধান। এরা আপনার সাথে বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করতে পারে। ভেবেচিন্তে ভালো গাড়ি ঠিক করবেন।
৩. সন্ধ্যার সাথে সাথে মোটামুটি লোক চলাচল কমে যায়। ৮টার মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। তখন পুরো দার্জিলিং নীরব হয়ে যায়। তখন বের হয়ে নীরব দার্জিলিং একটু দেখে নেবেন। ঘুরে বেড়াবেন শহরের এদিক-ওদিক। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো সমস্যা নেই।
৪. রবিবার মোটামুটি সবকিছুই বন্ধ থাকে, কখাটা মাথায় রাখবেন।

লেখক: যুগ্ম সম্পাদক, জয়নিউজবিডিডটকম

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...