ঘাতক ট্রেন

0

ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে দশেরার অনুষ্ঠানে রাবণের কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া প্রত্যক্ষ করতে ৩শ’ মানুষ জড়ো হয়। মাত্র ১০-১৫ সেকেন্ডের মাথায় উৎসবস্থল পরিণত হয় ছিন্ন-ভিন্ন দেহের স্তূপে। স্বজন হারানোর আহাজারিতে আশাপাশ কেঁপে ওঠে।

অমৃতসর শহরের জোড়া ফটকের কাছে দশেরা উৎসবে রাবণের কুশপুত্তলিকা জ্বালানোর সময় শুক্রবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ধারে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩শ’ মানুষ দশেরা উৎসব দেখছিল। এ সময়ই ট্রেন এসে পড়ে। কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর শব্দে ট্রেনের আওয়াজ কেউ শোনেনি। ট্রেনটি এসেছিল অন্ধকারে। বাজেনি কোনো অ্যালার্ম। আয়োজক কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতা জারি করেনি।

স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যা ৬টা ১৫তে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অমৃতসরের সাংসদ নভোজোত সিং সিধুর স্ত্রীর আসতে দেরি হওয়ায় সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়।

কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়ার সময় মাইকে দর্শকদের পেছনে সরে যেতে বলা হয়। এতে মানুষ পেছনের একটা রেললাইনের ওপরে উঠে পড়ে। তখনই একটি দ্রুতগামী ট্রেন চলে আসে। ট্রেনের ধাক্কায় বহু মানুষ এদিক ওদিক ছিটকে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বহু মানুষ রেললাইনের ওপরে উঠেই দাঁড়িয়েছিল প্রতি বছরের মতো রাবন দহন দেখতে। হঠাৎ করেই ট্রেনটা এসে পড়ে। কোনো হর্ন বাজানো হয়নি। মানুষ সরে যাওয়ার সময়ই পায়নি। ঘাতক ট্রেন কেড়ে নেয় ৬১ জনের প্রাণ। আহত হয় ৭২ জন।

জয়নিউজ/আরসি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...