এমইএস কলেজ ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল প্রতিষ্ঠার দাবি

0

টুঙ্গিপাড়ার আদলে নগরের ওমরগণি এমইএস কলেজ ক্যাম্পাসেও বঙ্গবন্ধুর বড় আকারের প্রতিকৃতি বা একটি ম্যূরাল নির্মাণের দাবি জানিয়েছে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানকে দেয়া এক যুক্ত বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।

এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক, সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াছ উদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ সুমন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতি আস্থাশীল হয়ে ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে এমইএস কলেজের ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মী তথা শিক্ষার্থীরা বদ্ধপরিকর। তাই এমইএস কলেজের মত গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্পাসের গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার আদলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত প্রতিকৃতি বা ম্যুরাল স্থাপনে বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান মহোদয়ের আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে চলতি মাসে যাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেজন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আন্দোলন থেকে এ অবধি যতগুলো আন্দোলন ও সংগ্রাম হয়েছে চট্টগ্রামে সবগুলো আন্দোলন আর সংগ্রামের সাথে এমইএস কলেজের ভূমিকা ও অবদান রয়েছে। এই কলেজের জন্মলগ্ন থেকেই প্রগতিশীল সংগঠন ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলন চট্টগ্রামে এমইএস কলেজের ছাত্রলীগ ও শিক্ষার্থীরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে, শৌর্য বীর্য ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ভূমিকা রেখেছে এবং প্রতি বছর নতুন নতুন শিক্ষার্থীদের মাঝে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবন-আদর্শ-নীতি নৈতিকতা ও চেতনা ধারণ করার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালন করছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে সহজভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে পরিচিত করতে ওমরগণি এমইএস কলেজের মতো রাজনীতি আঁতুরঘরের মতো একটি ক্যাম্পাসে জাতির জনকের একটি ম্যূরাল বা প্রতিকৃতি নেই। যা আমাদের মনে ও বুকে বুলেটবিদ্ধ করার মতো। দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় আমাদের অনেক বড় ভাই ও সতীর্থ-সহযোদ্ধারা আদর্শকে ভালোবেসে জীবনের মায়া ত্যাগ করে জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। অনেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা স্বপ্নের ক্যাম্পাসে আদর্শিক পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি মন বা বুকে ধারণ করলেও ক্যাম্পাসে না থাকার কারণে ক্ষোভ আছে। ছাত্রলীগের পক্ষে থেকে বার বার দাবি করার সত্ত্বেও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে নির্মাণ করেনি। আমরা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা থেকে জাতির জনকের একটি ভাষ্কর্য এনে দেওয়ার পরও অনেকদিন অযত্নে-অবহেলায় পড়ে ছিল সেটি। পরে বিভাগীয় কমিশনারের দৃষ্টিতে আনার পর এবং কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের অভিযোগের মুখে কোনরকমে ক্যাম্পাসের এক কোনায় স্থাপন করা হয়, যা মোটেও শোভনীয় নয়।’

জয়নিউজ/কাউছার/জুলফিকার

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...