ওরা জাতীয় বেঈমান: মেয়র নাছির

0

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ছিল বলেই তিনি হত্যকারীদের রক্ষার জন্য ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশটি সংসদে পাস করিয়েছিলেন। হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য পৃথিবীর কোনো দেশের সংসদে এ ধরনের জংলি ও অসভ্য আইন পাস করানোর নজির নেই। এ হত্যাকারীদের যারা রক্ষায় নানাভাবে ছলাকলা করেছে তাদের বংশধরদের সাথে আঁতাত করে কেউ কেউ সরকারকে ধাক্কা দিতে ষড়যন্ত্র করছে। বঙ্গবন্ধু ও জেলহত্যার সুবিধাভোগীদের সাথে রাজনৈতিক আঁতাতকারীরা জাতীয় বেঈমান। তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সবসময় রাজপথে থাকবে।

শনিবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেল হত্যার মাধ্যমে একাত্তরের পরাজিত শক্তি চেয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বাঙালি জাতিসত্তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি।

নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, কোতোয়ালি থানার সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মো. গিয়াস উদ্দিন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউদ্দিন এবং মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহম্মেদ ইমু।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ সালাম, উপদেষ্টা শফর আলী, শেখ মাহমুদ ইছহাক, নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, মো. হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, আবদুল আহাদ, মো. আবু তাহের, উপ প্রচার সম্পাদক শহিদুল আলম, নির্বাহী সদস্য এম এ জাফর, মো. নুরুল আলম, সৈয়দ আমিনুল হক, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কিষাণ চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, শেখ শহিদুল আনোয়ার, মহব্বত আলী খান, বখতিয়ার উদ্দিন খান, গৌরাঙ্গ চন্দ্র ঘোষ, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, যুবলীগ কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, থানা আওয়ামী লীগের ফিরোজ আহমেদ, নুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম, ছিদ্দিক আলম, শফিউল আলম ছগির, কাজী আলতাফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, মো. আবু তাহের, অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুবুল হক চৌধুরী এটলী, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম দিদার ও মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর।

জয়নিউজ/কাউছার

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...