‘চিন্তায় পরিবর্তন আনে বিতর্ক’

0

চিন্তায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে বিতর্ক। মানুষকে যুক্তিবাদী ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। একটি দেশের সামগ্রিক বিকাশে সচেতন নাগরিকের ভূমিকা অনেক। তাই শিক্ষাজীবনেই বিতর্কের অভ্যাস করা প্রত্যেকের উচিত।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজিত প্রথম আন্তঃবিভাগীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে এসব কথা বলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর মু. সিকান্দার খান।

সম্প্রতি ইডিইউ স্থায়ী ক্যাম্পাসে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, চিন্তায়-আবিস্কারে নতুনত্ব আনে বিতর্ক ও যুক্তিবাদিতা। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিন্তার উৎকর্ষতা সৃষ্টি করে। উচ্চশিক্ষায় এই উৎকর্ষতা একজন শিক্ষার্থীর অবশ্যই প্রয়োজন।

তিনদিনব্যাপী আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট মোট ১২টি দল অংশ নেয়। এতে সনাতনী পদ্ধতিতে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিতর্ক হয়। বাংলা বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হয় ইলেক্ট্রিকালএন্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগ, রানার্স আপ হয় বিবিএ বিভাগ। ডিবেটার অব দ্য ফাইনাল হন ইলেক্ট্রিকাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের নাফিসা রুম্মান সাউদা। বেস্ট প্রমিজিং ডিবেটার হন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাকিব খান ইনান ও ইংরেজি বিভাগের মুমু দাশ। ইংরেজি বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন হয় ইংরেজি বিভাগ, রানার্স আপ হয় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। ডিবেটার অব দ্য ফাইনাল হন ইংরেজি বিভাগেরনওশাদ জয়। বেস্ট প্রমিজিং ডিবেটার হন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মায়মুনা মানিতা ও অর্থনীতি বিভাগের তানজিনা তাবাচ্ছুম।

ফাইনালে বিচারক ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও দৃষ্টি চট্টগ্রামের যুগ্ম-সম্পাদক সাইফুদ্দিন মুন্না, প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক রায়হানুল শাকিল, দৃষ্টি চট্টগ্রামের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আরফাত, সহ-সম্পাদক রিদোয়ান আলম আদনান ও অনির্বাণ বড়ুয়া ও উপসম্পাদক হাসান জাদিদ মাশরুখ।

এতে আরো অতিথি ছিলেন ইডিইউ ট্রেজারার অধ্যাপক সামস-উদ-দোহা, রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া, স্কুল অব লিবারেল আর্টসের ডিন শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রক্টর অনন্যা নন্দী, দৃষ্টি চট্টগ্রামের সভাপতি মাসুদ বকুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...