কী আছে মহিউদ্দিন চৌধুরী স্মারকগ্রন্থে, লিখেছেন কারা?

0

কেউ তুলে এনেছেন তাঁকে গণমুখী আন্দোলনের নেতা হিসেবে। কেউ তুলনা করেছেন রুশ ঔপন্যাসিক কাউন্ট লিও টলস্টয়ের সঙ্গে। কেউবা বলেছেন তিনি শ্রমিকদের কাণ্ডারী। কেউ বলেছেন তাকে হোলটাইম পলিটিশিয়ান, কেউ দিয়েছেন গণমানুষের অধিকারের প্রতিভূ-পুরুষের স্বীকৃতি।

আবার কেউ লিখেছেন মহিমান্বিত নেতার শত গুণ নিয়ে অজস্র কবিতা। মিছিল-শ্লোগান-রাজপথ থেকে শুরু করে তাদের লেখনীতে উঠে এসেছে একমায়াময় বীরের কথাও। যার কথা লিখেছেন তারা, তাঁর নাম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

তিনি তিন মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের। দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব তাঁকে নিয়ে প্রকাশ করেছে ‘সাংবাদিকবান্ধব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী স্মারকগ্রন্থ’। এ স্মারকগ্রন্থে ঠাঁই পেয়েছে বীর চট্টলার মহান নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে ৫৬ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের হৃদয় নিংড়ানো কথামালা।

স্মারকগ্রন্থের ভূমিকায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন লিখেছেন, চট্টগ্রামের গণমানুষের অধিকারের প্রতিভূ-পুরুষ হিসেবে চট্টগ্রামের আপামর মানুষের কল্যাণের প্রতীক হিসেবে যদি একজন লোককে বেছে নিতে বলা হয়, আমার বিশ্বাস তিনি হবেন মহিউদ্দিন চৌধুরী।

শুরুতে প্রসঙ্গকথা’য় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার ও সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ উল্লেখ করেন, আমাদের প্রিয় মহিউদ্দিন ভাই-যাঁকে নির্দিষ্ট পরিচয়ের আবর্তে বেঁধে রাখা যায় না। তিনি চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের প্রিয়জন শুধু নন- তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের সাংবাদিক সমাজের ঘনিষ্ঠজনও।

তাঁরা দু’জন স্মৃতি হাতড়ে বলেন, সাংবাদিকবান্ধব হয়ে তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন সাংবাদিক সমাজেরও। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বিশাল সুরম্য ভবন সাক্ষ্য দেয় সাংবাদিকদের প্রতি মহিউদ্দিন চৌধুরীর অকৃত্রিম হৃদয়ছোঁয়া আন্তরিকতার কথা। তাঁর একান্ত আগ্রহে বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের কারণেই আজ প্রেস ক্লাব ভবন এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় রূপ নিয়েছে। তাঁর প্রতি সাংবাদিক সমাজের অশেষ কৃতজ্ঞতা।

সম্পাদকীয়তে এই স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী লিখেছেন, শুধু রাজনীতির মাঠে নয়, চট্টগ্রামজুড়ে সকল ধরনের কর্মকাণ্ডে আবেগ-উদ্দীপনা ও আস্থার এক নাম এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রামের তিনবারের মেয়র, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী আজীবন চট্টগ্রামের রাজনীতি করলেও তাঁর ভূমিকা, কাজ এবং মানুষের জন্য রাজনীতি তাঁকে অনেক বড় জাতীয় রাজনীতিবিদের চেয়েও বেশি পরিচিতি এনে দিয়েছিল বাংলাদেশে। নিজ দল ক্ষমতায় থাকলেও অন্যায় সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে তিনি কখনো পিছপা হননি।

মিন্টু চৌধুরী আরো উল্লেখ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী সময়, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, বিদেশি প্রতিষ্ঠান স্টিভিডোরিং সার্ভিসেস অব আমেরিকাকে চট্টগ্রাম বন্দর দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং চট্টগ্রামবিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মহিউদ্দিন চৌধুরীকে কাছ থেকে দেখেছেন এখানকার সাংবাদিক সমাজ।

শুধু একজন ব্যক্তিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ বা কথামালা নয়, তাঁকে ঘিরে তাঁর জীবনকালের সমসাময়িক ঘটনা ও জীবনকর্মের নানা প্রসঙ্গ এই গ্রন্থে তুলে আনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্মারকগ্রন্থে ‘চট্টলবন্ধু মহিউদ্দিন চৌধুরী’শিরোনামে চট্টগ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত লিখেছেন, জনগণের কল্যাণ ও উপকারার্থে কাজ করতে পারলেই যেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্বস্তি। জনগণের কাজ করতেন বলেই ‘জননেতা’ বলে খ্যাত হয়েছিলেন। রুশ ঔপন্যাসিক কাউন্ট লিও টলস্টয়কে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি কিসে বেশি সুখ পান। টলস্টয়ের উত্তর ছিল, ‘মানুষের জন্য কাজ করতে পারলে ও মানুষকে ভালোবাসতে পারলেই আমি সবচেয়ে বেশি সুখী।’

টলস্টয়ের মতো বিশাল প্রতিভা নিয়ে মহিউদ্দিন সাহেব জন্মাননি, টলস্টয়ের মতো মহান সাহিত্য সৃষ্টিও তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও একটি জায়গায় কিছুটা মিল খুঁজে পেতে পারি। আর সেটা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি যে পরিমাণ সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন তার হিসেবে রাখা দুরূহ।

কবি, প্রাবন্ধিক ও দৈনিক আমাদের সময়ের উপদেষ্টা সম্পাদক আবুল মোমেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী : ব্যতিক্রমী স্বাধীন রাজনীতিক’শিরোনামে লিখেছেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী তাঁর দলীয়গণ্ডি ছাপিয়ে উঠেন ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ের পরে ত্রাণকাজ ও দুর্গত অসুস্থ মানুষের সেবাদানের মাধ্যমে। বিধ্বস্ত বাঁশখালীতে ত্রাণ দেওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ, বিশেষত মারাত্মক ডায়রিয়ায় আক্রান্ত মানুষদের শহরে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন তিনি। এসময় মহিউদ্দিন চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট হলকে একটি ফিল্ড হাসপাতালে রূপান্তরিত করে নিজে প্রায় ২৪ ঘণ্টা রোগীদের সেবা দিয়ে গেছেন। সেদিন অমানুষিক পরিশ্রম করে তিনি মানবিক সেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আবুল মোমেন আরো উল্লেখ করেছেন, মামলা-মোকদ্দমার তোয়াক্কা না করে জনকল্যাণের কথা ভেবে তিনি রাস্তা চওড়া করেছেন, নতুন রাস্তা বানিয়েছেন। জনস্বার্থে মহিউদ্দিন চৌধুরী কখনো আপোষ করেননি, ক্ষমতার সাথে তো নয়ই, নিজ দলের সাথেও নয়। মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী মানুষ। তাঁর জীবনে যেমন সত্য ছিল, তেমনি সত্য হয়েছে মৃত্যুতেও।

সিইউজে সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল ‘চট্টলবীর’ শিরোনামে কবিতায় লিখেছেন … তোমার কথা মনে রাখবে সমুদ্রবন্দর/নোঙ্গরের জাহাজ আর শ্রমিকের ঘর্মাক্ত শ্লোগান/মনে রাখবে মানুষের উদ্ধত সাহস, মুক্তির গান/তোমার কথাই শুধু বলবে দারুল ফজল চত্বর/দোস্ত বিল্ডিং, শহরের দালান, প্রতিটি সড়ক/আর বিস্তীর্ণ লালদীঘি ময়দান। মিছিল থেকে/মিছিলে শ্লোগানে শ্লোগানে তুমিই থাকবে/এই জনপদে অনন্তকাল। তুমিই জয়বাংলা/তুমিই চট্টগ্রাম। তোমার জন্যই সাহসী এই জনপদ/সমুদ্র সন্তান। অতএব তোমাকেই মনে রাখবে চিরদিন/চট্টলবীর আবুল বাশার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

এভাবে চট্টগ্রামের প্রথিতযশা ৫৬ জন সাংবাদিক মহিউদ্দিন চৌধুরীকে যেমন দেখেছেন তেমনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই স্মারকগ্রন্থে। লেখাগুলোর প্রত্যেকটিতে রয়েছে অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা শিরোনামও।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সাবেক সভাপতি মো. মাহবুব উল আলম লিখেছেন ‘গণমুখী আন্দোলনের শতমূলী ফেরিওয়ালা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’, সিভয়েস২৪ডটকমের সম্পাদক এম নাসিরুল হক লিখেছেন ‘বিশ দিনের সহযাত্রী আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন আহমদ লিখেছেন ‘জানিয়ে গেছেন তিনি চট্টগ্রামবাসীর কত আদরের ও শ্রদ্ধার’, দৈনিক জনকণ্ঠের ডেপুটি এডিটর ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোয়াজ্জেমুল হক লিখেছেন ‘একটি পত্র’, দৈনিক প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী লিখেছেন ‘একটি চিঠি ও রাজনীতিকে নানা রঙের জীবন’, দৈনিক প্রথম আলোর উপ-বার্তা সম্পাদক ওমর কায়সার লিখেছেন ‘দেশর … মারি, নিজর মাথাত তেল মাইল্যে কিছু নইঅবু’, সিইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম লিখেছেন ‘শ্রমিকদের কাণ্ডারী মহিউদ্দিন চৌধুরী’।

দৈনিক যায়যায়দিনের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী লিখেছেন ‘আন্দোলন সংগ্রামের অনন্য ঠিকানা-মহিউদ্দিন’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি ও দৈনিক পূর্বকোণের বার্তা সম্পাদক কলিম সরওয়ার লিখেছেন ‘চিরঞ্জীব বীর মহিউদ্দিন স্মৃতির অ্যালবাম’, দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক রাশেদ রউফ লিখেছেন ‘জনতার নেতা’, সুপ্রভাত বাংলাদেশের সম্পাদক রুশো মাহমুদ লিখেছেন ‘হোলটাইম পলিটিশিয়ান মহিউদ্দিন চৌধুরী’, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জসীম চৌধুরী সবুজ লিখেছেন ‘গ্রেফতারে ক্ষোভের অনল প্রয়াণে শোকের দহন’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস লিখেছেন, ‘ধৈর্য, ত্যাগ ও কর্মই মহিউদ্দিন চৌধুরীকে মহান করেছে’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্পাদক শুকলাল দাশ লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন ভাই : স্মৃতি ও স্মরণে’, সিইউজে সাধারণ সম্পাদক ও একুশে টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মো. হাসান ফেরদৌস লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে’, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামলেখক মো. ইসকান্দর আলী চৌধুরী লিখেছেন ‘চলে গেলেন অকৃত্রিম সুহৃদ’, সিইউজের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমদ লিখেছেন ‘কিংবদন্তী রাজনীতিক ও মিডিয়াবান্ধব মহিউদ্দিন চৌধুরী’।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সমীর কান্তি বড়ুয়া লিখেছেন ‘আমার দেখা রাজনীতির শ্রেষ্ঠ জননন্দিত জনপ্রতিনিধি : মহিউদ্দিন চৌধুরী’, দৈনিক পূর্বকোণের চিফ রিপোর্টার নওশের আলী খান লিখেছেন ‘জনতার নেতা’, একুশে টেলিভিশনের আবাসিক সম্পাদক রফিকুল বাহার লিখেছেন, ‘মিডিয়া ফ্রেন্ডলি জাত পলিটিশিয়ান মহিউদ্দিন চৌধুরী’, বৈশাখী টেলিভিশনের হেড অব নিউজ অশোক চৌধুরী লিখেছেন ‘এক মায়াময় বীরের কথা’, জ্যেষ্ঠ ফটো সাংবাদিক দেবপ্রসাদ দাশ দেবু লিখেছেন ‘মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম প্রহর ২৬শে মার্চে আমরা ক’জন’, বাসসের বিশেষ সংবাদদাতা অনুপ খাস্তগীর লিখেছেন ‘কে নেবে তাঁর কর্মভার’, দৈনিক ইনকিলাবের বিশেষ প্রতিনিধি ও ব্যুরো প্রধান শফিউল আলম লিখেছেন ‘কে ডাকবে আইয়্যূন যে…’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর লিখেছেন ‘বৃটিশ শাসন বিরোধী আন্দোলনে বিপ্লবীদের চট্টগ্রামে আসার নেপথ্যে মহিউদ্দিন’।

দৈনিক পূর্বকোণের জ্যেষ্ঠ সহ সম্পাদক মুহাম্মদ মোরশেদ আলম লিখেছেন ‘তৃণমূলের নন্দিত নেতা’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বৈশাখী টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি ও ব্যুরো প্রধান মহসিন চৌধুরী লিখেছেন, ‘স্মৃতিতে অম্লান চট্টলবীর মহিউদ্দিন চৌধুরী’, এটিএন বাংলার চট্টগ্রাম ব্যুরোর ডেপুটি প্রধান মনজুর কাদের মনজু লিখেছেন ‘চট্টলবীরকে নিয়ে বহুল আলোচিত পোস্টারটি নিয়ে কিছু কথা’, দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার হাসান নাসির লিখেছেন ‘দলের গণ্ডি ছাড়িয়ে সকলের’, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী লিখেছেন ‘ধর্ম-কর্মে মহিউদ্দিন চৌধুরী’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও চ্যানেল আইয়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ লিখেছেন, ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী : জনমানুষের প্রিয়জন’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক পূর্বদেশের সহকারী সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামের স্পটলাইট’।

প্রেস ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক ও দৈনিক আজাদীর সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার নজরুল ইসলাম লিখেছেন ‘ক্রীড়াঙ্গনের অকৃত্রিম বন্ধু মহিউদ্দিন চৌধুরী’, কালের কণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মুস্তফা নঈম লিখেছেন ‘তাঁর তুলনা কেবল তিনি নিজেই’, কালের কণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরোর সাংবাদিক বিপুল বড়ুয়া লিখেছেন ‘তোমার জন্যে’ শিরোনামে কবিতা, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের রিজিওনাল এডিটর কামাল পারভেজ লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং টেলিভিশন’, ‘কাঁদছে তোমার প্রিয় শহর’ শিরোনামে কবিতা লিখেছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মিন্টু চৌধুরী লিখেছেন ‘মহিউদ্দিনের শেষ যাত্রা’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেশ টিভির ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরী একজনই!’।

দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার প্রণব বল লিখেছেন ‘শাহিদার মাঝে টুম্পার প্রতিচ্ছবি!’, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার ফারুক তাহের লিখেছেন ‘সংস্কৃতিসেবক মহিউদ্দিন’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য এমরান হোসাইন লিখেছেন ‘আজো মন কাঁদে’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য শতদল বড়ুয়া ‘জননেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ’, শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক  আবুল কালাম বেলাল লিখেছেন ‘চট্টলবীর’ শিরোনামে কবিতা, দৈনিক আমাদের সময়ের ব্যুরো প্রধান হামিদ উল্লাহ লিখেছেন ‘মহিউদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে সাংবাদিকতা’।

সারাবাংলা ডটনেট’র বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান রমেন দাশগুপ্ত লিখেছেন ‘ভালোবেসেছিলাম মহিউদ্দিনের গর্জন আর বাক্যবাণকে’, দৈনিক সমকালের ক্রাইম ও স্পোর্টস রিপোর্টার রুবেল খান লিখেছেন ‘অতিথিপরায়ণ ছিলেন তিনি’, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক রেজা মুজাম্মেল লিখেছেন ‘নেতা এবং জননেতা’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য মোহাম্মদ জহির লিখেছেন ‘স্মরণ : এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য এবং দৈনিক সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সারোয়ার সুমন লিখেছেন ‘তোয়ার চেয়ারত বইলে আঁর পোন পুড়ি যাইব’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য ফেরদৌস শিপন লিখেছেন ‘একটি সংবেদনশীল হৃদয়’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আহসানুল কবির রিটন লিখেছেন ‘চট্টলবীরের সাথে কিছুক্ষণ’, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী সদস্য আজাদ তালুকদার লিখেছেন ‘মাস্টরি এক্কানা হম গইয্যু’।

এই স্মারকগ্রন্থের সম্পাদনা পরিষদে রয়েছেন মোয়াজ্জেমুল হক, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, তপন চক্রবর্তী, নিরুপম দাশগুপ্ত, একরামুল হক বুলবুল ও বিপুল বড়ুয়া।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এই স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

জয়নিউজ/জুলফিকার
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...