রামগড়ে হানাদারমুক্ত দিবসে সভা

0

রামগড় উপজেলা প্রশাসন হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে বিজয় ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শনিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় শোভাযাত্রাটি পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইসরাত’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা রণ বিক্রম ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, সাবেক সাংসদ একেএম আলিম উল্ল্যাহ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাদের, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মো. মোস্তফা, সাবেক কমান্ডার মফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বাবুল কান্তি মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আলম আলমগীর ও প্যানেল মেয়র মো. আহসান উল্ল্যাহ।

মুক্তিযোদ্ধা বাবুল মজুমদার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রায় শেষের দিকে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর গেরিলা আক্রমণ ও ভারতীয় যুদ্ধবিমান থেকে রামগড়ের শত্রু ঘাঁটিতে প্রবলভাবে বোমাবর্ষণ হলে পাক সেনারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রামগড় ছাড়তে শুরু করে। ৮ ডিসেম্বর ’৭১ পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয় রামগড়। ওই সময় আওয়ামী লীগের অবিসংবাদিত নেতা রামগড় মহকুমা কেন্দ্রীক মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক মরহুম সুলতান আহমেদ মুক্তিপাগল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় শরণার্থী শিবির সাবরুম মহকুমার কাঁঠালছড়ি থেকে বাংলাদেশের পতাকা রামগড় এনে উত্তোলন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা বাবুল মজুমদার ও মিন্টু চক্রবর্তী জয়নিউজকে জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে রামগড়ের মানুষ গড়ে তুলেছিল সংগ্রাম কমিটি। রামগড় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ’৭১-এর ১৬ মার্চ রামগড় বাজারের বনবীথি বোর্ডিংয়ে এই কমিটি গঠনের জন্য এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মরহুম কাজী রুহুল আমীনকে আহ্বায়ক ও প্রয়াত সাংবাদিক সুবোধ বিকাশ ত্রিপুরাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সুরেশ মোহন ত্রিপুরা (অবসরপ্রাপ্ত জেলা তথ্য কর্মকর্তা), বনবীথির মালিক মংলাগ্য মারমা, আজিজুর রহমান, যতীন্দ্র কুমার নাথ, কংচাই চেীধুরী (হেডম্যান)। কমিটি গঠনের পর পরই তারা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড শুরু করেন।

জয়নিউজ/শ্যামল/বিশু/জুলফিকার

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...