সীতাকুণ্ডে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

0

সীতাকুণ্ডে দাউদ সম্রাট (৩৫) নামে এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। নিহত দাউদ সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। তিনি একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা মৃত আবু হোসেনের ছেলে।

সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় সীতাকুণ্ড পৌরসভার বটতল ও ভোলাগিনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পৌর যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন। তিনি একই এলাকার আলী রাজ্জাকের ছেলে।

হতাহতরা যুবলীগের দুই নেতা সীতাকুণ্ড উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুনের অনুসারী। এদিকে এ হামলার প্রতিবাদে উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন।

পুলিশ দাবি করে সম্র্রাট ও ডাকাত শহীদের অভ্যন্তরীন কোন্দলে এই ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) আসরের নামাজের পর সীতাকুণ্ড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সম্রাটের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, সীতাকুণ্ড পৌরসভার রেল স্টেশন সংলগ্ন বটতল ও ভোলাগিনি এলাকায় নবনির্বাচিত সাংসদ দিদারুল আলমকে অভিনন্দন জানানোর জন্য এমপির বাড়িতে যেতে জড়ো হচ্ছিলেন দাউদ সম্রাটসহ যুবলীগ নেতাকর্মীরা।

এসময় তাদের একই দলের প্রতিপক্ষ গ্রুপের শহীদ প্রকাশ ডাকাত শহীদের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা দাউদ সম্রাটের কয়েকজন নেতার ওপর হামলা করে। খবর পেয়ে দাউদ তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসলে শহীদ গ্রুপ তাকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। সন্ত্রাসীরা যাওয়ার সময় সাজ্জাদকেও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর (ইনচার্জ) জহিরুল ইসলাম জয়নিউজকে বলেন, বিকেলে আহত দাউদ সম্রাট ও সাজ্জাদ হোসেন নামে দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দাউদ সম্রাটকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত সাজ্জাদ চিকিৎসাধীন আছেন বলেও জানান তিনি।

সীতাকুণ্ড উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন রবি বলেন, ডাকাত শহীদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী যুবলীগের নেতা সম্রাট ও সাজ্জাদের ওপর হামলা চালায়।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলওয়ার হোসেন বলেন, ডাকাত শহীদ গ্রুপ ও দাউদ সম্রাট গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় শহীদ গ্রুপের হামলায় দাউদ ও সাজ্জাদ আহত হন। এই দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এক গ্রুপ উপজেলা চেয়ারম্যান ও অপর গ্রুপ এমপি সমর্থক বলে জানান তিনি।

জয়নিউজ/সেকান্দর/বিশু/জুলফিকার
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...