আমীর খসরুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী রুখে দিবে

0

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সরকারের সকল ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী রুখে দিবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) বিকালে নগরীর নাসিমন ভবন চত্ত্বরে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীসহ বিএনপি নেতাদের মুক্তি এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দেয়া মামলার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি চাকসু ভিপি মো.নাজিম উদ্দিন।

প্রধান বক্তা ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি এম এ হালিম, অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, ইকহাস কাদের চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আমিন,নুর মোহাম্মদ, আজম খান, আবদুল আউয়াল চৌধুরী, অধ্যাপক জসীম উদ্দিন চৌধুরী, সেলিম চেয়ারম্যান।

মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে সারাদেশের মানুষ রাজপথে নেমেছে। একজন জননেতা হিসেবে আমীর খসরু মাহমুদ সকলকে আন্দোলনে সামিল হতে আহ্বান জানাতে পারে। এটি কোন সরকার বিরোধী আন্দোলন নয়। দেশের অনিয়ম ও অত্যাচারকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এজন্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলো। তবে কেন? ওবায়দুল কাদেরসহ অনেকেতো এ আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো না কেন? আর আমরা গোপনে সরকার পতন করবো না। জনগণকে সাথে নিয়ে এ সরকারের পতন ঘটাবো।

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ছাড়া এদেশে কোন নির্বাচন হবে না উল্লেখ করে চাকসুর এজিএস শামীম বলেন, ‘আমরা আবারো বলতে চাই বেগম জিয়াকে বাদ দিয়ে কোন নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না। এছাড়া নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকলে, সহায়ক সরকার গঠন না করলে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। কারণ এ নির্বাচন কমিশন ও সরকারের আমলে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। ঈদের পর দেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ আন্দোলনে দিশেহারা হয়ে সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিএনপি এখন কঠিন সময় অতিক্রম করছে। এ সময় অতিক্রম করতে পারলে সুখের দিন অপেক্ষা করছে। কারণ সরকারের পায়েন নিচে মাটি নেয়। যেকোন সময় যেকোন কারণে জনগণ রাজপথে নেমে যাবে। আমাদের এখন একটিই দাবি বেগম জিয়াকে মুক্তি দিয়ে সহায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন। আশাকরি জনগণের চাহিদামতো এদেশে নির্বাচন হবে।

চাকসু ভিপি মো.নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘সরকার আগুন নিয়ে খেলা করছে। সরকার বিএনপি নেতাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চায়। কিন্তু সরকারই বাধ্য হবে নির্বাচন দিতে। কারণ দেশের জনগণ আওয়ামী লীগ সরকারকে চায় না। তারা চায় এদেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক, দেশ গণতন্ত্রেও পথে ফিরে আসুক। সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘সরকার বিনা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে। কিন্তু স্বৈরাচার বেশিদিন স্থায়ী হয় না। এরশাদ, আইয়ূব খান টিকে থাকতে পারেনি। শেখ হাসিনাও পারবে না।

বক্তব্য রাখেন ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ডা.খুরশিদ জামিল, মো.কামাল পাশা, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, কুতুব উদ্দিন খান, সৈয়দ নাছির উদ্দিন, হাসান মো.জসীম, কাজী মো.সালাউদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন,জহুরুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন,ফাতেমা বাদশা, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, ইউসুফ নিজামী, আহসানুল কবির রিপন, মাহবুব ছফা, সোলায়মান মনজু, জাকির হোসেন, অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফি, সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান, জহুর আহমেদ, আবদুস শুক্কুর, জামসিদুর রহমান মো.মোরসালিন, সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, হাসান মুকুল, দিদারুল আলম মিয়াজী, নাছির উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন কমিশনার, মো.সিদ্দিক, এস এম মুরাদ চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম হেলালী, ফজল বারেক, জান্নাতুল ফেরদৌস, এইচ এম নুরুল হুদা, আওরঙ্গজেব মোস্তফা, ফজলুল করিম চৌধুরী, আজিজ উল্লাহ, আনিস আক্তার টিটু প্রমুখ।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...