মোবাইলে প্রশ্নের ছবি: হাটহাজারীতে তিন পরিদর্শককে অব্যাহতি

0

হাটহাজারীতে পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে প্রশ্ন বাইরে পাঠানোর সময় রিফাদ উদ্দীন নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। রিফাদ মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অনিয়মিত ছাত্র।

এসময় জব্দ করা হয়েছে তার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। একইসঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ওই কক্ষের তিন পর্যবেক্ষককেও দেওয়া হয়েছে অব্যাহতি।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন ছিপাতলী গাউছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী, গুমানমর্দ্দন ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আব্দুল জলিল ও ধলই গাউছিয়া মুনিরীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. শফিউল আলম।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সম্রাট খীসা দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনের সময় ওই কেন্দ্রের ৩৪ নম্বর কক্ষে অনিয়মিত ছাত্রদের ইংরেজি ১ম পত্রের (১০৭) পরীক্ষা চলাকালীন রিফাদ উদ্দীন নামে এক ছাত্র প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বাইরে পাঠানোর সময় ম্যাজিস্ট্রেটরা তাকে হাতেনাতে আটক করে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনটিও জব্দ করে ওই ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়। এসময় অন্য ছাত্রদের তল্লাশি করে আরও ৬টি ফোন জব্দ করা হয়।

এ ব্যাপারে ইউএনও রুহুল আমীন জয়নিউজকে বলেন, আমি আর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় দেখি রিফাত উদ্দীন ডাটা চালু করে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে কাউকে সেন্ড করতে যাচ্ছে। এসময় তাকে আটক করি। ভাগ্যিস আমরা ঐ মুহূর্তে কেন্দ্রে পৌঁছেছিলাম। না হলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হত।

তিনি আরও বলেন, তাৎক্ষণিক কক্ষের সবাইকে তল্লাশি করে ৬ পরীক্ষার্থীর কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। তাদের কাছে প্রশ্ন ফাঁস কিংবা প্রশ্নের ছবি পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ৩ কক্ষ পরিদর্শককে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের সচিব ও কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মকসুদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

জয়নিউজ/আবু তালেব/বিশু
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...