‘এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার ‘

0

প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগে ভয়, আতঙ্ক, শঙ্কা আর বিড়ম্বনার মধ্যে সময় পার করছে চট্টগ্রামবাসী। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিমান ছিনতাই দিয়ে শুরু, রাতের শুরুতে ঘন্টাখানেকের জন্য সারা চট্টগ্রাম ‘ব্ল্যাক আউটে’ আর ভোর থেকে আচমকা ঝড়ো হাওয়ার সাথে বজ্রপাত, বৃষ্টি।গাছপালা ভেঙে পড়েছে কোথাও কোথাও। তাই রাস্তায় নেই পর্যাপ্ত গাড়ি, ভোগান্তিতে পড়ে অফিস-স্কুলগামীরা।

বসন্তের এমন ফাগুনরাঙা দিনেও চট্টগ্রামবাসী কবি জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ‘এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার’ গানটি গুনগুন করে গাইতেই পারেন।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকেই চট্টগ্রামে শুরু হয় প্রচণ্ড বেগে বাতাস আর ঝড়ো হাওয়া। চারিদিকে নেমে আসে নিকষ কালো অন্ধকার। সকাল ৯টায়ও রাস্তায় যে ক’টা গাড়ি ছিল, তা চালাতে হয়েছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।

সামান্য বৃষ্টিতে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে জমে যায় পানি।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের একটি বাড়ন্ত অংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ আর এর আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপও রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এই দুয়ের কারণেই মাঝ ফাল্গুনে ঝড়-বৃষ্টির আগমন।

বৃষ্টিতে উপড়ে পড়া গাছ। ছবি: বাচ্চু বড়ুয়া

এদিকে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল জয়নিউজকে বলেন, সকাল সাড়ে ৮টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে তা বেড়ে হয় ৬৫ কিলোমিটার। সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রামের উপর দিয়ে বাতাস বয়ে যায়।
সকাল ৯টা পর্যন্ত ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

জয়নিউজ/আরসি
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...