‘দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি’

0

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটি। আর গত দশ বছরে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাতেই দশ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর কুড়িলের আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী বেসিস সফটএক্সপো-২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব। অনুষ্ঠানে বেসিস সফটএক্সপো-২০১৯ এর আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফারহানা এ. রহমান সূচনা বক্তব্য রাখেন।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের লার্নিং-আর্নিং, শি পাওয়ার, এলআইসিটি, সারাদেশে ২৮টি হাইটেক পার্ক, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতায় প্রশিক্ষণ, আইডিয়া প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন, এ সকল প্রকল্পের আওতায় অনেক তরুণ-তরুণী প্রশিক্ষণ পেয়েছে। এর ফলে আমরা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে আত্ম-কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে সেই সুযোগ করে দিয়েছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি।

তিনি আরো বলেন, এর ফলে দেশে মোটামুটি প্রায় ছয় লাখ ফ্রিল্যান্সার, দুই লাখ বেসিস সদস্যদের কর্মী, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, পোস্ট ই-সেন্টার, সিটি করপোরেশন, মিউনিসিপালিটিসহ অন্যান্য ডিজিটাল সেন্টার মিলিয়ে আমাদের এই তথ্যপ্রযুক্তি খাতে গত দশ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পেরেছি। এখন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশে তিন লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। আর তাদের কর্মসংস্থানও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের মাধ্যমেই করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকেই যাতে শিশু কিশোররা কম্পিউটার প্রোগ্রামসহ অন্যান্য বিষয় জানতে ও শিখতে পারে সেজন্য ইতোমধ্যে ৯ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছি। এছাড়াও আগামী পাঁচ বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে আরও ২৫ হাজার ৫০০ ল্যাব স্থাপন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনা না থাকলে ফাইবার অপটিক কেবল ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। কারণ ডমিস্টিক নেটওয়ার্ক কোঅর্ডিনেশন কমিটি নামে একটি কমিটি তিনি গঠন করেছিলেন ১০ বছর আগে। যার ফলে আমরা জানি কোন আইএসপি কোথায় কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ইউনিয়নগুলোকে হাইস্পিড ইন্টারনেটের আওতায় আনতে ইনফো সরকার-৩ প্রকল্প নিয়েছি। এছাড়াও ২০২১ সালের মধ্যে সবগুলো ইউনিয়নকে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আনতে কানেক্ট বাংলাদেশ নামের আরেকটি প্রকল্প নিচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরো বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অ্যাপস, ড্রোনের মতো প্রযুক্তি পণ্য ব্যবহার করে আমরাও বিশ্বমানের মেলা আয়োজনে সক্ষম হচ্ছি। এটি একটি ইতিবাচক সংযোজন।

জয়নিউজ/অভিজিত/শহীদ
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...