‘দেশীয় শিল্পকে সুবিধা দিলে আসবে নতুন উদ্যোক্তা’

0

বাজেট প্রণয়নে এমন কিছু করব না যাতে ব্যবসায়ী-ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকার তার জনপ্রিয়তা হারায়।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রাকবাজেট মতবিনিময় সভায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এ কথা বলেন।

বাজেট প্রণয়নের আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে চাহিদা বিষয়ে জানা যায়। তিনি বলেন, দেশীয় শিল্পকে সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন। তাহলে নতুন উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসবে। বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদের বাজেটের প্রত্যেকটি পূরণ হয়েছে।  রাজস্ব আহরণের জন্য সবক্ষেত্রে সকল চাহিদা ব্যবসায়ীদের মেটানো সম্ভব নয়। আমরা কাস্টমস ডিউটি কমিয়ে  কর ও ভ্যাটের দিকে যাচ্ছি। ৬৫ শতাংশ  রাজস্ব মেটাতে হয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের আওতা বাড়াতে হবে আয়কর ও ভ্যাটের মাধ্যমে। পণ্য দ্রুত ছাড়করণে বিমানবন্দর ও বন্দরের প্রত্যেক গেটে স্ক্যানিং মেশিন বসানো হবে। পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সুবিধার দিক বিবেচনা করা হবে।

স্বাগত বক্তব্যে চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০১৮-১৯অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি হার হবে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। আগামী দিনেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং ক্রমান্বয়ে ডবল ডিজিটের প্রবৃদ্ধি অর্জনে আমরা সক্ষম হব।

তিনি আরো বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিদ্যমান রয়েছে। মূল্যস্ফীতি ও টাকার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের  বিষয় বিবেচনা করে এ সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। একইভাবে মহিলা ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে আয়কর  প্রদানকারীদের ক্ষেত্রে ৩ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪ লাখ টাকা এবং প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে  ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা দরকার।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. ফিরোজ শাহ আলম, কানন কুমার রায়, মো. মেফতাহ্ উদ্দিন খান, মো. রেজাউল হাসান, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, উপসচিব ও চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব মো. কামরুল হাসান, চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুন নেওয়াজ সেলিম, সহ সভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালক একেএম আকতার হোসেন, অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, কামাল মোস্তাফা চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর।

জয়নিউজ/ফয়সাল/আরসি
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...