হালদা নদীতে ডিম ছাড়ার মৌসুমে চলছে নৌযান ও মাছ শিকার

0

হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচল করছে যান্ত্রিক নৌযান ও মাছ শিকার।

এর আগে হালদা নদীতে একমাস ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল উদ্ধার করলেও রাতে ড্রেজার দিয়ে চলছে বালু উত্তোলন, ঘেরজাল, বড়শী ও হাত জাল দিয়ে চলছে মাছ শিকার।

জানা যায়, চৈত্র মাস থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত সময়ে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাত হলে নদীতে পাহাড়ি ঢলের শ্রোত নেমে আসলে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাইস মা-মাছ ডিম ছাড়ে।

রাউজান উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড অফিসার রবিউল হাসান জয়নিউজকে জানান, হালদা নদীর মা মাছের প্রজনন রক্ষায় নাজিরহাট থেকে কালুরঘাট হালদা নদীর মোহনা পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নদীতে সারাবছর মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ডিম ছাড়ার মৌসুমে হালদা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল  তেলপারই, সর্তা, কাগতিয়া, সোনাইর খাল, মগদাই, কাঠালভাঙ্গা, বইজ্যাখালী, বুড়ি সর্তা, হাটহাজারীর বোয়ালিয়া, খন্দকিয়া, পোড়ালী, মাদারী খালসহ সকল খালে ছয়মাস মা মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়।

রাউজান উপজেলার বিভিন্নস্থানে গড়ে উঠা ডেইরি ফার্ম, পোল্টি ফার্ম, কারখানা. ও হাটহাজারী উপজেলা ও নগরের মোহরায় গড়ে উঠা কলকারখানা, ডেইরি ফার্ম, পোল্ট্রি ফার্ম, ইটের ভাটার বিষাক্ত বর্জ্য হালদা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালে ফেলা হয় । বিষাক্ত বর্জ্য হালদা নদীর পানির সঙ্গে মিশে পানি দুষণ হওয়ায় মা মাছের প্রজনন হুমকির মুখে পড়েছে বলে সরেজমিনে পরিদর্শনকালে  হালদা তীরের বাসিন্দারা জানান।

রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম হোসেন রেজা জয়নিউজকে বলেন, কয়েকটি গ্রাম চলে গেলেও গ্রাম তৈরি করা যাবে। কিন্তু হালদা নদীর মা মাছের প্রজনন ক্ষতি হলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

জয়নিউজ/শফিউল/বিশু
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...