চমেক হাসপাতালে ১০ হাজার রোগীর এনজিওগ্রাম

0

চট্টগ্রামে হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সক্ষমতা। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে নতুন আরেকটি মাইলফলক।

গত ১৫ বছরে হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে আসা ১০ হাজার রোগীর এনজিওগ্রাম সম্পন্ন করেছেন চিকিৎসকরা। এরমধ্যে প্রায় ৭০০ রোগীর রিং লাগানো হয়েছে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকালে চমেক হাসপাতাল হৃদরোগ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ১০ হাজার এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হওয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রবীর কুমার দাশ এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালে ২০১৫ সালে এনজিওগ্রাম হয়েছে ৬৪৩ রোগীর। এরমধ্যে রিং পরানো হয় ২৮ জনের। ২০১৬ সালে এনজিওগ্রাম হয় ৮৩১ জনের, রিং পরানো হয় ২৫ রোগীর। ২০১৭ সালে ১ হাজার ১৫৬ জনের এনজিওগ্রামের পাশাপাশি রিং লাগানো হয় ১৬২ রোগীর। ২০১৮ সালে ১ হাজার ৩৯৩ জনের এনজিওগ্রাম হয়। এ সময়ে রিং লাগানো হয় ২০২ রোগীর।

অপরদিকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এনজিওগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে ৬৬৪ রোগীর। একইসাথে ৬৩ রোগীকে রিং পরানো হয়।

ডা. প্রবীর বলেন, আশির দশকের দিকে সমাজের এলিট শ্রেণীর মানুষ সিঙ্গাপুরে গিয়ে এনজিওগ্রাম করে আসতেন। এখন সেই অবস্থা আর নেই। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালই চট্টগ্রামে প্রথম এনজিওগ্রাম মেশিন এনেছিল।

এনজিওগ্রাম কোনো সাধারণ পরীক্ষা নয়। এটি চিকিৎসারই একটি অংশ। এটি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরাই করে থাকেন। কোনো টেকনিশিয়ানের পক্ষে এনজিওগ্রাম করা সম্ভব নয়।

চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আখতারুল ইসলাম বলেন, হৃদরোগ বিভাগের উন্নয়নে আমরা ইতোমধ্যে অনেক কাজ করেছি। ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করেছি। বিভাগের ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিনের সংকট রয়েছে। মে মাসের মধ্যে একটি ইকোকার্ডিওগ্রাফি মেশিন দেবো। আরেকটি দেওয়া হবে আগামী বছর। সম্ভব হলে এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এটি দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হৃদরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশীষ দে, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ডা. নরেশ চন্দ্র রায়, ডা. বিপ্লব ভট্টাচার্য্য, ডা. সালেহউদ্দিন সিদ্দিকী, ডা. নূর উদ্দিন তারেক, ডা. নূর উদ্দিন জাহাঙ্গীর, ডা. আনিসুল আউয়াল, ডা. রিজোয়ান রেহান, ডা. সন্দীপন দাশ, ডা. আবুল হোসেন শাহীন। উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার ডা. লক্ষ্মীপদ দাশ, সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাজীব দে, ডা. আবিদুর শাহেদীন, ডা. চঞ্চল বড়ুয়া, ডা. উজ্জ্বল চক্রবর্তী প্রমুখ।

জয়নিউজ/পলাশ/আরসি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...