প্রতারণার দায়ে ভুয়া পুলিশ আটক

0

গায়ে পুলিশের পোশাক। নেমপ্লেটে লেখা আছে নাম। হাতে আছে পুলিশের লাঠিও। খালি চোখে দেখলে মনে হবে তিনি পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য। তবে আসল পুলিশের হাতে আটকের পর নিজের মুখেই স্বীকার করলেন তিনি একজন নকল পুলিশ।

বুধবার (১ মে) সকালে নগরের আন্দরকিল্লা মোড় থেকে মো. আইয়ুব (২০) নামের এ ভুয়া পুলিশকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

আটক ভুয়া পুলিশের বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার ১নং চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নয়াহাট গ্রামে। তার পিতার নাম মো. নুরুল হক। মূলত নকল পুলিশ সেজে সে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল ১১টায় নগরের আন্দরকিল্লা মোড় এলাকায় মো. আইয়ুবকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে এবং তার চলাফেরায় সন্দেহ হলে কোতোয়ালী থানার পুলিশের টহল টিম তাকে আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদে মো. আইয়ুব পুলিশকে জানায়, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করে সে এবং তখন থেকেই সিএমপিতে কর্মরত আছে। পরে এএসআই দিদারুল আলম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়, এ নামে কোনো পুলিশ সদস্য কর্মরত নেই।

আরো জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে আসল পুলিশ নয় বলে স্বীকার করে। তার বন্ধু পুলিশে চাকরি করে উল্লেখ করে সে শখের বসেই এ পোষাকটি ক্রয় করে পুলিশ সেজেছেন এবং এক আত্মীয়ের সমস্যা সমাধান করতে ভয়ভীতি দেখানোর জন্য এ পোশাকটি পড়েছে বলে জানায়। তার কাছ থেকে একটি পাসপোর্ট, পুলিশের লাঠি, হাফ হাতা শার্ট, প্যান্ট ও জুতা উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জয়নিউজকে জানান, আন্দরকিল্লা মোড়ে এএসআই মো. দিদারুল ইসলাম পিকেট ডিউটিকালে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে আইয়ুবকে কর্মস্থল কোথায় জানতে চান। তখন তিনি জানান, উপ-পুলিশ কমিশনারের (বন্দর) বডিগার্ড। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করে এবং ২০১৭ সাল থেকে সিএমপিতে কর্মরত আছে। এরপর এএসআই মো. দিদারুল আলম ডিসি বন্দরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন আইয়ুব নামে কোনো বডিগার্ড নেই।

মো. আইয়ুব পুলিশের পোশাক পরে অপরাধ করায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

জয়নিউজ/রুবেল/শহীদ
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...