চবি অধ্যাপককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদ ও সপরিবারে শিক্ষকের নিরাপত্তা প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে চবি বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা৷ একই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে অধ্যাপকের নিরাপত্তা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্যারের (আনোয়ার সাইদ) কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে। চাঁদা না দিলে স্যার ও স্যারের পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। স্যারকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, দেশে যারা মুক্তমনা ও প্রগতিশীলতার চর্চা করছে তাদেরকে এভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অবিলম্বে এর সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘটনার সুরাহা করতে হবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আ ফ ম রবিউল হাসান, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের হিমু বড়ুয়া, রাকিবুল হাসান রাকিব, মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আকন্দ জাকির ও শাহিনা আক্তার এবং ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের হাসান মেহেদি৷

শিক্ষক সমিতির বিবৃতি

বৃহস্পতিবার দুপুরে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সংবাদমাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সম্মানিত শিক্ষকের কাছে চাঁদা দাবি ও এহেন হুমকি প্রদান অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। চাঁদা দাবির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় এনে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে চবি শিক্ষক সমিতি প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিধান ও তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রতি সমিতি জোর দাবি জানাচ্ছে।

উল্লেখ, গত ৭ মে (মঙ্গলবার) মুঠোফোনে চাঁদা দাবি করে চবি অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদকে হত্যার হুমকি দেয় ‘সেভেন স্টার’নামে একটি চক্র। চাঁদা না দেওয়া হলে পরিবারসহ তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। বাসার টেলিফোন নাম্বারেও বারবার কল দিয়ে এমন হুমকি দেয় চক্রটি। এ বিষয়ে নিরাপত্তা চেয়ে ৭ মে রাতে হাটহাজারী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ওই অধ্যাপক।

জয়নিউজ/নবাব/জুলফিকার
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...