বাড়ি ফিরছে বিস্ময়শিশু

0

একটি আপেলের সমান ওজন নিয়ে জন্মেছিল শিশু সেইবি। তাকে বাঁচানোর আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা৷ তবে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরছে বিস্ময়শিশু সেইবি। পাঁচ মাস হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরছে পৃথিবীর সবচেয়ে কম ওজনের এই শিশু৷

গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোর হাসপাতালে জন্মের সময় সেইবির ওজন ছিল মাত্র ২৪৫ গ্রাম৷ উচ্চতা ছিল ২৩ সেন্টিমিটার৷ মায়ের গর্ভে ২৩ সপ্তাহ ৩ দিন থাকার পর জরুরি সিজারিয়ানে জন্মগ্রহণ করেছিল সে৷

হাসপাতাল থেকে প্রচার করা এক ভিডিওতে সেইবির মা বলেন, ওটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে ভীতিকর দিন৷ জন্মের পর আমার সন্তানকে ‘সেইবি’ নাম দেন নার্সরা৷

এর আগে ২৫২ গ্রাম ওজন নিয়ে ২০১৫ সালে জার্মানিতে জন্ম নেয় পৃথিবীর সবচেয়ে কম ওজনের শিশু৷ সে-ও ছিল মেয়েশিশু৷ গতবছরের অক্টোবরে জাপানে সবচেয়ে ছোট ছেলেশিশু জন্মগ্রহণ করে মাত্র ২৫৮ গ্রাম ওজন নিয়ে৷ সাত মাস পর গত এপ্রিলে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে রিইউসকে সেকিয়া নামের ওই শিশু৷

সান দিয়েগোর হাসপাতালে জন্মের পর শিশু সেইবি মাত্র এক ঘণ্টা সময় বাঁচতে পারে বলে তার বাবাকে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা৷ তবে সেই এক ঘণ্টা রূপান্তরিত হয়েছে দুই ঘন্টায়, এরপর এক দিনে এবং তারপর এক সপ্তাহে- বলেছেন শিশুটির মা৷

পরে সবচেয়ে কম ওজনের শিশুদের তালিকার শুরুতে স্থান করে নেয় সেইবি৷ যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব আইওয়া সংরক্ষণ করে এ তালিকা৷
এদিকে চিকিৎসকরা জানান, পাঁচ মাস নবজাতকদের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে থাকার পর এখন সেইবির ওজন বেড়ে হয়েছে ২ কেজি ২৬ গ্রাম৷

সেইবির মা বলেন, আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি৷ সে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট শিশু এবং সে আমারই!

জয়নিউজি/হিমেল

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...