নৃশংস কিম!

0

যত দিন যাচ্ছে, ততই নৃশংস হয়ে উঠছেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন। একেবারে জেমস বন্ডের ছবির আদলেই এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাকে রাক্ষুসে পিরানহা মাছভর্তি পুকুরে ফেলে নাকি হত্যা করেছেন কিম।

সংবাদ মাধ্যম ‘ডেইলি স্টার’ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এক সেনাকর্তাকে হিংস্র পিরানহা ভরা পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা করেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন।

গত মে মাসে আমেরিকায় তাঁর দূত হিসেবে পাঠানো কূটনীতিকের পরে কিমের অভিনব হত্যালীলায় এটিই সাম্প্রতিকতম সংযোজন।

সূত্রের খবর, কিমের বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ওই কর্মকর্তা। কোনোভাবে সেই খবর পৌঁছে যায় তাঁর কাছে। তারপরই ওই সেনাকর্তাকে হত্যার নির্দেশ দেন কমিউনিস্ট দেশটির প্রধান। তবে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি অত্যন্ত নৃশংস ছিল। প্রথমে ওই সেনাকর্তার হাত, পেট ও পা ধারালো চাকু দিয়ে চিরে ফেলা হয়। তারপর তাকে ফেলে দেওয়া হয় পিরানহা ভরা পুকুরে।

রক্তের গন্ধে ধেয়ে আসে হাজার হাজার রাক্ষুসে মাছ। মুহূর্তের মধ্যে অসহায় মানুষটিকে কামড়ে জীবন্ত খেয়ে ফেলে মাছগুলো। বিদ্রোহীদের বার্তা দিতেই এই পন্থা নিয়েছেন কিম, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

অনেকের ধারণা, ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া জেমস বন্ডের ছবি ‘ইউ ওনলি লিভ টোয়াইস’ ছবি থেকেই এই অভিনব হত্যার ছক সাজিয়েছেন কিম। ওই ছবির ভিলেন ব্লোফিল্ডের একটি পিরানহাভর্তি পুকুর ছিল, যেখানে ছুঁড়ে ফেলে সহকারী হেলগা ব্র্যান্ডকে সে খুন করার ফন্দি এঁটেছিল।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও কোনো দোষ পেলেই হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন কিম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিতীয় শীর্ষ বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে দাঁড় করিয়ে খুন করা হয় উত্তর কোরিয়ার বিশেষ দূত কিম হায়োক চোল ও তার সঙ্গী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চার কর্মকর্তাকে।

জয়নিউজ/আরসি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...