চাম্বলে ঠেকানো যাচ্ছে না গাছ চোরদের

0

বাঁশখালীর চাম্বল পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড ঝড়জলের মধ্যেও থেমে নেই গাছ চুরি। সরকারি এ গাছ নির্বিচারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরের দল। সস্তা দামে এ গাছ কিনে নিচ্ছেন স’মিল মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরা। গাছ চোরদের ঠেকিয়ে রাখতে পারছেন না বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

অভিযোগ উঠেছে, গাছ চোরদের সঙ্গে যোগসাজশে কতিপয় বন কর্মকর্তা এ গাছ চুরিতে লিপ্ত রয়েছেন। এর ফলে নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে সরকারি এ মূল্যবান গাছ। স্থানীয় চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বনদস্যুদের দমন করতে মাঠে নামিয়েছেন নিজস্ব বাহিনী। তিনি বুধবার (১০ জুলাই) শেখেরখীলের নিমতলা এলাকায় একটি স’মিলে অভিযান চালিয়ে ৬টি গর্জন গাছ উদ্ধার করেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন চাম্বল বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামানও । উদ্ধার করা গাছের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বলেন, চাম্বল পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুরা গর্জন গাছসহ বিভিন্ন গাছ চুরি করছে। সম্প্রতি গাছ চুরি বেড়ে যাওয়ায় আমি নিজস্ব লোকজন দিয়ে পাহারা বসিয়েছি। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও স্থানীয় মঞ্জুর আলম, মোহাম্মদ দিদার, সরওয়ার ও জয়নাল ৬টি গর্জন গাছ চুরি করে শেখেরখীলের এক স’মিলে বিক্রি করেছে শুনেছি। বুধবার গাছগুলোর সন্ধান পেয়ে বন কর্মকর্তাকে ডেকে গাছগুলো বুঝিয়ে দিয়েছি। ওই স’মিল মালিক জাকেরুল হক চোরের কাছ থেকে সস্তায় মাত্র ৩৭ হাজার টাকা দিয়ে গাছগুলো কিনেছিলেন।

চাম্বল বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামান বলেন, চাম্বলের বনদস্যুরা সশস্ত্র হওয়ায় এদের ঠেকানো যাচ্ছে না। বনদস্যু মো. দিদারকে একমাস আগেও গাছ চুরির মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। জামিনে এসে আবার সে গাছ চুরিতে নেমেছে।

তিনি জানান, গাছ চুরি ঠেকাতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গাছ চোরদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

জয়নিউজ/উজ্জ্বল/আরসি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...