ফইল্যাতলী কিচেন মার্কেট নির্মাণকাজ শুরু বৃহস্পতিবার

0

নগরের হালিশহরের ফইল্যাতলী বাজারে আধুনিক কিচেন মার্কেটের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হবে ২৫ জুলাই।

৩০.৮৪ গণ্ডা জমির ওপর এ কিচেন ও বাণিজ্যিক ভবনটি নির্মিত হবে। ১০ তলার কিচেন ও বাণিজ্যিক ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২০ কোটি ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।

সোমবার (২২ জুলাই) সকালে নগরের টাইগারপাস সিটি করপোরেশন কনফারেন্স হলে চসিক-বিএমডিএফ কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় সিটি মেয়র আ জম নাছির উদ্দীন একথা বলেন।

সভায় ফইল্যাতলী কিচেন মার্কেট এবং দক্ষিণ আগ্রাবাদ বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের ঠিকাদার এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বিএমডিএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাসিনুর রহমান, বিএমডিএফের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, স্থপতি মুস্তাসিন মাহমুদ খান, প্রকৌশলী এমডি আশরাফুজ্জামান, সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার আলামিন, প্রকৌশলী মো. ইব্রাহিম, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহরিয়ার ফজল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর হাজী নরুল হক, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহেমদ, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবয়াক প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, প্রকৌশলী গোফরান উদ্দিন, অলি আহমদ, আগ্রাবাদ কমপ্লেক্সের ঠিকাদার প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন, ফইল্যাতলী বাজার কিচেন মার্কেটের ঠিকাদার প্রকৌশলী ফয়সাল আকতার চৌধুরী, প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের।

প্রজেক্টরের মাধ্যমে ফইল্যাতলী বাজার কিচেন মার্কেট ও আগ্রাবাদ কমপ্লেক্সের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন চসিক সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান।

এ কিচেন মার্কেট ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের ৯০ শতাংশ বিশ্ব ব্যাংকের এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডা) থেকে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র বলেন, নগরের মূলসড়কসহ অলি-গলিতে ভ্রাম্যমাণ বাজার বসে যানজট , অপরিস্কার পরিচ্ছন্নতাসহ নানামুখি জটিলতা সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা নিরসনে নগরের বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ ৪টি স্থানে প্রকল্প গ্রহণ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। এরজন্য ৪ জন কনসালটেন্টও নিয়োগ করা হয়। অবশেষে ২ বছর পরে ২টি প্রকল্প মিলল। প্রকল্পগুলো হচ্ছে ফাইল্যাতলী কিচেন মার্কেট ও দক্ষিণ আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ।
এ প্রকল্প ২টি নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করে সিটি মেয়র বলেন কোনো অবস্থাতেই সময়সীমা বর্ধিত করা হবে না। এসময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য যা যা করা দরকার,তার প্রস্তুতি নিয়ে কাজ শুরু করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের প্রতি আহ্বান জানান।

সৈয়দ হাসিনুর রহমান বলেন, চসিকের উন্নয়ন সহযোগী হতে পেরে এমডিএফ গর্বিত। বিশ্বব্যাংকের টাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকবো। একইসঙ্গে কাজের মানে আপোস করা যাবে না। প্রকল্প সঠিক সময়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হলে চসিকের আরও অনেক উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক।

এপ্রসঙ্গে রহমান বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিনিধি দল প্রকল্প কাজ পরিদর্শনে আসবেন। ওই সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ আশানুরূপ বাস্তবায়ন হলে আগামীতে আরো প্রকল্প আসবে তিনি প্রত্যাশা করেন।

জয়নিউজ/বিআর

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...