বিজিএমইএতে গ্রুপ বিমা দাবির চেক হস্তান্তর

0

ঘনবসতির দেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্পায়নের বিকল্প নেই উল্লেখ করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম বলেছেন, তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য তথা অর্থনীতির অন্যতম নিয়ামক।

শনিবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানি সমিতি (বিজিএমইএ) চট্টগ্রাম কার্যালয়ে গ্রুপ বিমা দাবির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে আমাদের লক্ষ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ২০৩০ সালে মধ্যমআয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা। স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মৃত শ্রমিকগণের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিজিএমইএ’র ১ম সহসভাপতি মো. আবদুস সালাম বলেন, বর্তমান ব্যবসা ও শ্রমিকবান্ধব সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে তৈরি পোশাক শিল্প সকল প্রতিকূলতা সত্বেও এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি সম্প্রতিক বাজেটে তৈরি পোশাক রপ্তানির বিপরীতে ১% হারে প্রনোদনা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বিজিএমইএ’র ১ম সহসভাপতি মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ’র সহসভাপতি এ এম চৌধুরী সেলিম, পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মো. আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মিরাজ ই মোস্তফা কায়ছার, লেবার ও ফায়ার বিষয়ক স্থায়ী কমিটি, চট্টগ্রামের পরিচালক ইনচার্জ মো. আতিক, গ্রুপ ইন্সুরেন্স বিষয়ক স্থায়ী কমিটি চট্টগ্রামের পরিচালক ইনচার্জ মিরাজ ই মোস্তফা কায়ছার, লেবার ও ফায়ার বিষয়ক স্থায়ী কমিটি চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান মো. সাইফ উল্লাহ্ মনসুর ও সাবেক ১ম সহসভাপতি এস এম আবু তৈয়ব।

এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ১ম সহসভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সহসভাপতি মো. ফেরদৌস, সাবেক পরিচালক এ কে এম সালেহ উদ্দিন, আবদুল মান্নান রানা, এমডি. এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, হাসানুজ্জামন চৌধুরী, সেলিম রহমান ও সাইফ উল্লাহ মনসুর।

এছাড়াও এতে শ্রম অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক মো. গিয়াস উদ্দীন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর চট্টগ্রামের ডিআইজি মো. আল আমীনসহ বিভিন্ন পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মৃত শ্রমিকদের আত্মীয়-স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়নিউজ/কাউছার/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...