মুশফিক-মিরাজে ফাইটিং স্কোর

0

সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কান বোলারদের সামনে ইনিংসের শুরু থেকেই যাওয়া-আসার মিছিলে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে টাইগাররা যখন বিপাকে, ঠিক তখন মুশফিক-মিরাজের ৮৪ রানের জুটিতে প্রেমাদাসায় মোটামুটি ফাইটিং স্কোর দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

মুশফিকের অপরাজিত ৯৮ ও মিরাজের ৪৯ রানে ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ২৩৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে টাইগাররা।

রোববার (২৮ জুলাই) কলম্বোয় বাংলাদেশ সময় দুপুর তিনটায় শুরু হওয়া ম্যাচে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে এলবির ফাঁদে পড়েন সৌম্য সরকার। নুয়ান প্রদীপের বলে বিদায় নেওয়ার আগে বাঁহাতি এই ওপেনার ১৩ বলে একটি বাউন্ডারিতে করেন ১১ রান। দলীয় ২৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর দলীয় ৩১ রানের মাথায় বিদায় নেন তামিম ইকবাল। ইসুরু উদানার বলে বোল্ড হওয়ার আগে বাঁহাতি এই ওপেনার ৩১ বলে দুই বাউন্ডারিতে করেন ১৯ রান। প্রথম পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ দুই ওপেনারকে হারিয়ে তোলে ৩৫ রান।

মুশফিকের সঙ্গে ২১ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন মোহাম্মদ মিঠুন। দলীয় ৫২ রানের মাথায় মিঠুনের বিদায়ে বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায়। ২৩ বলে একটি বাউন্ডারিতে ১২ রান করে ফেরেন মিঠুন। ব্যক্তিগত ৮ রান করে মুশফিক ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৬ হাজার রান স্পর্শ করেন। ১৮ বলে ৬ রান করে আকিলা ধনাঞ্জয়ার বলে বোল্ড হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দলীয় ৬৮ রানে বাংলাদেশ চতুর্থ উইকেট হারায়।

৮৮ রানের মাথায় বিদায় নেন সাব্বির রহমান। রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে সাব্বির ১৯ বলে দুই বাউন্ডারিতে করেন ১১ রান।

দলীয় ১১৭ রানের মাথায় বিদায় নেন মোসাদ্দেক হোসেন। মুশফিকের সঙ্গে ২৯ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন তিনি। ইসুরু উদানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ডানহাতি এই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ২৭ বলে করেন ১৩ রান। এরই মধ্যে টানা দ্বিতীয় ফিফটির দেখা পান মুশফিক।

সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচেও করেছিলেন ৫০ রান। সিরিজের প্রথম ম্যাচে করেন ৬৭ রান। মুশফিকের সঙ্গে ৮৪ রানের জুটি গড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ। ইনিংসের ৪৬তম ওভারে বিদায় নেন মিরাজ। ৪৯ বলে ছয়টি বাউন্ডারিতে মিরাজ করেন ৪৩ রান। তাইজুল করেন ৩ রান। তবে, শেষ ওভারে রানআউট হওয়ার আগে মুশফিকের সঙ্গে তাইজুল ৩০ রানের জুটি গড়েন।

শ্রীলঙ্কার আকিলা ধনাঞ্জয়া, নুয়ান প্রদীপ ও ইসুরু উদানা ২টি করে উইকেট নেন।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...