নিম্নবিত্তের স্বাস্থ্যসেবায় চসিকের কোটি টাকার প্রকল্প

0

নগরের দরিদ্র পরিবারগুলোকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘মেয়র হেলথ কেয়ার’ নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

নগরপিতা আ জ ম নাছির উদ্দীনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে করপোরেশনের ২০১৯-২০ অর্থ বছরে প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ৭ হাজার টাকা মাসিক আয়ের নিচের পরিবারগুলোকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড হতে বাছাইকৃত ১০ হাজার পরিবারকে বছরে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নগরের নিম্নবিত্ত মানুষেরা উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন বলে আশা করছে সিটি করপোরেশন।

মেয়র হেলথ কেয়ার প্রকল্প ছাড়াও নগরবাসীর অবহেলিত স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় পরিণত করার লক্ষ্যে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেমন জেনারেল হাসপাতালে সাধারণ রোগীর চিকিৎসা, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসা, শিশু চিকিৎসা, দন্ত ও চক্ষু বিভাগ চালুসহ প্রতিবন্ধী কর্নার স্থাপন, ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত জেনারেল হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে বহির্বিভাগীয় ও আন্তঃবিভাগীয় চিকিৎসাসেবার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে জনমনে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এ উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ নিরসনকল্পে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মশকনিধনের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম, জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় বিভিন্ন সভা-সেমিনারের মাধ্যমে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন জয়নিউজকে বলেন, যে পরিবারগুলোর মাসিক আয় সাত হাজার টাকার নীচে, মূলত তাদের জন্যই মেয়র হেলথ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় তারা উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিমা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পের কারিগরি সহায়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বর্তমান অর্থ বছরে প্রাথমিকভাবে এক কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

জয়নিউজ/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...