সকালে আটক, বিকালে মুচলেকায় ছাড়া

0

সীতাকুণ্ড সোনাইছড়ির শীতলপুর থেকে আটকের পর দুই ব্যক্তিকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেলে কেশবপুর লালবেগ এলাকার মাওলানা এজাহার আহমদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল স্থানীয় বাসিন্দা মৃত সিদ্দিক আহমদের ছেলে সেলিম ও তার ভাই জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে। এরমধ্যে সীতাকুণ্ড মডেল থানার পুলিশ একাধিক বৈঠকও করেন ওই এলাকায়। জায়গাগুলো নিয়ে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। কিন্তু সোমবার সকাল থেকে জয়নাল বহিরাগত ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে জায়গা দখল করতে শুরু করে।

এসময় সেলিম ও স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর বাধা দিতে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। তাৎক্ষণিক সেলিম বিষয়টি সীতাকুণ্ড পুলিশকে জানায়। এরপর সীতাকুণ্ড থানার এসআই শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে জয়নালের শ্যালক ফয়সাল ও জাবেদকে আটক করে।

পরে বিকেলে সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলওয়ার হোসেন থানা থেকে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।

এ বিষয়ে থানার উপ-পরিদর্শক শাখাওয়াত হোসেন জয়নিউজকে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও একটি পক্ষ কাজ করছিল। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে আটক করি। এরপর থানায় নিয়ে আসি।

তবে আদালতে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন- এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি পুলিশ।

ভুক্তভোগী সেলিম জানান, জয়নাল আবেদীন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের দিয়ে তার মৌরশী সম্পত্তি দখল করেছিল। ওই জায়গাগুলোতে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও পরে তাদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যা আদালত অবমাননার সামিল।

জয়নাল আবেদীন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জয়নিউজকে জানান, পুলিশ অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তার শ্যালক ও মিস্ত্রিকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরে থানার ওসি মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়। তার ভাই সেলিম ও জাহাঙ্গীর তার নির্মাণাধীন অবকাঠামো ভাঙচুর করেছে বলে জানান তিনি।

সীতাকুণ্ড থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শামীম আহমেদ জয়নিউজকে বলেন, ফয়সাল ও জাবেদ আর ওই জায়গাতে যাবে না বলে মুচলেকা দেওয়ায় থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জয়নিউজ/সেকান্দর/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...