‘পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য চট্টগ্রামের ফ্লাইওভার’

0

চট্টগ্রামের ফ্লাইওভারগুলোকে পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য উল্লেখ করে সংসদ সদস্য মইন উদ্দিন খান বাদল বলেছেন, এ ফ্লাইওভারগুলোর নিচেও পানি, উপরেও পানি।

কালুরঘাট সড়ক কাম রেল সেতু নির্মাণের জন্য যদি আওয়ামী লীগে যোগ দিতে হয়, তাতেও রাজি আছেন বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম ক্লাবে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্প কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাদল বলেন, ৪১ বছর পর চট্টগ্রাম পানির নিচে ডুবে যাবে। এর নমুনা এখন দেখা যাচ্ছে। চট্টগ্রাম-৮ আসনের শহরাঞ্চলে জোয়ারের পানি ঢুকে।

তিনি বলেন, নগরবাসীর মতামতকে উপেক্ষা করে চট্টগ্রামে অপরিকল্পিতভাবে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে উপরে নিচে পানি জমে থাকে।

বাদল বলেন, চট্টগ্রাম খুবই স্পর্শকাতর এলাকা। এটিকে কুড়িগ্রাম ভাবলে হবে না। রেল তো টানেল দিয়ে যাবে না। কালুরঘাট সেতু দিয়ে কক্সবাজারে রেল যাবে। আমাদের দাবি, রেল কাম সড়ক সেতু করা হোক।

সেতু নির্মাণে ডিসেম্বর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, কালুরঘাট সেতু দিয়ে ফার্নেস অয়েলবাহী ও কয়েকটি যাত্রীবাহী ট্রেন যায়। ৫০ হাজার লোক এ সেতু দিয়ে হেঁটে পার হন। ২-৩ ঘণ্টা গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এসময় তারা আমার মৃত মাকে গালি দেন। এর থেকে মুক্তি চাই।

বাদল বলেন, এ সেতু নিয়ে চারবার সমীক্ষা হয়েছে। কোরিয়ান কোম্পানি চূড়ান্ত সমীক্ষা করেছে। রেলওয়ের ধারণা, ৮০০ কোটি টাকা লাগবে। কোরিয়ানরা বলেছিল ১২০০ কোটি টাকা লাগবে। তারা ৮০০ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়। সরকারকে দিতে হবে ৩৭৯ কোটি টাকা।

চট্টগ্রামের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বিনিয়োগে মাথায় রাখতে হবে প্রায়োরিটি ও কস্ট বেনিফিট। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জন্য কর্ণফুলী, শঙ্খ, মাতামুহুরী, বাঁকখালীতে সেতু লাগবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিনিয়র সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, ফারুক ইকবাল, হাসান আকবর, মুস্তফা নঈম, কামাল পারভেজ, শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, অনিন্দ্য টিটো প্রমুখ।

জয়নিউজ/এমজেএইচ
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...