বাঁশখালীতে ফিশিং বোটসহ নিখোঁজ ৬ জেলে উদ্ধার হয়নি

0

বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলের অদূরে বাঁশখালীর পশ্চিম চাম্বল বাংলাবাজার এলাকার ৬ জেলেসহ একটি ফিশিং বোট দুইদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। অপর এক ফিশিং বোটের সহায়তায় সাঁতার কেটে বাড়ি ফিরেছে ওই ফিশিং বোটের ৪ জেলে। এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জেলেপল্লীতে চলছে শোকের মাতম।

নিখোঁজ জেলে পরিবারগুলোর ধারণা, ওই জেলেদের গভীর সাগরে সলিল সমাধি হয়েছে। এছাড়া কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ৬ জেলে ও ফিশিং বোট উদ্ধারে অভিযান চলছে। ফিশিং বোটটি ৬ জেলেসহ ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছে গত ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টায়। নিখোঁজ ৬ জেলে বোটের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিল।

পুলিশ ও জেলেদের দেওয়া তথ্যমতে, ১ সেপ্টেম্বর পশ্চিম চাম্বল বাংলাবাজার এলাকার মো. ইলিয়াছের এফবি মায়ের দোয়া নামক ফিশিং বোট নিয়ে ১০ জেলে কুতুবদিয়া চ্যানেলের কাছে মাছ ধরতে যায়। ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সমুদ্রে জাল বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে তারা।

৬ জন জেলে বোটের ভিতরে এবং ৪ জেলে বোটের উপর অংশে ঘুমন্ত ছিল। হঠাৎ উপর অংশের জেলেরা বুঝতে পারে বোটের উপর দিকটা পানিতে ভাসছে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া আজিজ কোম্পানির অপর এক ফিশিং বোটের মাঝি তাদের বোটে তুলে নেয়। এরমধ্যেই গভীর সাগরে তলিয়ে যায় বোটটি। বেঁচে ফেরা জেলেরা এ খবর বোটের মালিককে দিলে মালিক থানায় জিডি করে এবং কোস্টগার্ডকে ঘটনাটি জানায়।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন বাঁশখালীর পশ্চিম চাম্বল গ্রামের নুরুল কবিরের পুত্র ছৈয়দ (৩৭), কক্সবাজারের  টেকনাফ উপজেলার উখিয়া গ্রামের নুরুল আমিনের পুত্র মো. করিম (২২), মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোন গ্রামের নুরুল হকের পুত্র ছৈয়দ করিম (৩৫), বদিউর রহমানের পুত্র শফিউল আলম (৩৮), নুরুল হোসেনের পুত্র রহমত উল্লাহ (২২) ও আলী হোসেনের পুত্র আব্দুর শুক্কুর (২২)।

পশ্চিম চাম্বল বোট মালিক সমিতির সভাপতি হেফাজুতুল ইসলাম বলেন, জেলেসহ ফিশিং বোট নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ আমরা প্রশাসনকে অবহিত করেছি। কিন্তু কারো সহযোগিতা পাচ্ছি না। আমরা নিজেরা ২টি ফিশিং বোট নিয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছি। দু’দিনেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের স্টাফ অফিসার লে. কমান্ডার সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশেষ টিম গভীর সাগরে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

জয়নিউজ/আরসি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...