নায়করাজের প্রস্থানের ২ বছর

0

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার ২ বছর পূর্ণ হলো আজ।
ভক্তদের ছেড়ে চলে গেলেও তিঁনি আজও বেঁচে আছেন ভক্তদের মনে-প্রাণে ও ভালবাসায়।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ঈষর্ণীয় বর্ণাঢ্য জীবন কাটিয়েছেন তিনি। ৭৫ বছরের জীবনে ৫৩ বছর বাংলা চলচ্চিত্রকে শাসন করেন রাজার মত করে।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপতালে (২০১৭ সালের ২১শে আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন তিঁনি।

বাংলা চলচ্চিত্রে সোনালি যুগের রূপালি পর্দায় তাঁর মত দক্ষতা আর বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেননি কোনো অভিনেতা।

তিঁনি বলতেন, ‘আমার প্রেম, আমার ভালবাসা আমার সবকিছু, অভিনয় আর চলচ্চিত্রকে ঘিরে। এছাড়া আমি আর কিছু জানি না, কিছু পারি না।’

নায়করাজ ১৯৪২ সালের ২৩শে জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। সপ্তম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় ১৯৬৬ সালে মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে তাঁর অভিনযয়ের জীবনযাত্রা শুরু করেন।

১৯৬৬ সালে ১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা সিনেমায় তাঁর অভিষেক ঘটে।

নায়করাজ ১৯৭৬ সালে জহিরুল হক পরিচালিত ‘কি যে করি’ ছবিতে বাদশাহ চরিত্রে অভিনয় করে প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসাবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়া ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘নীল আকাশের নীচে’,‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘ওরা ১১ জন’, ‘আলোর মিছিল’, ‘ছুটির ঘণ্টা’সহ মোট ৩০০টির বেশি বাংলা ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রে। পরিচালনা করেন ১৬টি চলচ্চিত্র। গড়ে তোলেন রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশন।

শিল্প-সংস্কৃতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার সংস্কৃতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেb। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বাচসাস পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

জয়নিউজ/আরএস/পিডি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...