গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হলে, গুম-খুন বেড়ে যায়: খসরু

0

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিএনপির ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, চট্টগ্রামের নজরুল ইসলাম বাচা চেয়ারম্যানসহ ১৫৯ জনের বেশি মানুষ গুম হয়েছেন। যারা গুম হয়েছেন তাদের পরিবার এখনও তাদের ফিরে পায়নি। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যখন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন গুম, খুন, নির্যাতন বেড়ে যায়।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ব গুম দিবস উপলক্ষে গুম হওয়া বোয়ালখালী বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচা চেয়ারম্যানের পূর্ব বাকলিয়ায় বাসায় তার পরিবারকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খসরু আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতান্ত্রিক কাঠামো, নির্বাচনী ব্যবস্থা, মানুষের স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার সবকিছুই কেড়ে নিয়েছে। তেমনিভাবে ২০১০ সালের ৮ নভেম্বর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচাকে গুম করা হয়। এখনো পর্যন্ত তার কোনো হদিস সরকার দিতে পারেনি।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাচার পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে বলেন, বিএনপি বাচা চেয়ারম্যানকে ভোলেনি। আমরা আপনাদের পাশে আছি। তাই আপনাদের দেখতে এসেছি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে এদেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে। এই সরকার বিনা ভোটে একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গুম, খুন, নির্যাতন চালিয়ে ফ্যাসিস্ট কায়দায় দেশ শাসন করছে।

তিনি বলেন, এই সরকারের সময়েই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী গুম ও খুন হয়েছেন। এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কোনো সরকারের আমলে তা হয়নি। আজ এই আন্তর্জাতিক গুম দিবসে বিএনপি এদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, মৌলিক অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে মাঠে আছে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি এনামুল হক, নগর বিএনপির সহসভাপতি অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ তৈয়ব, কামরুল ইসলাম, বোয়ালখালী পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আবু, নগর বিএনপির সহসম্পাদক মো. শাহাজান, আব্দুল আজিজ, আলমগীর।

উপস্থিত ছিলেন বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ছগির, নগর বিএনপির সদস্য আলী ইউসুফ, হাজী মোহাম্মদ ইউসুফ, সাহেদা বেগম, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, নগর ছাত্রদলের সহসভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন বাচা চেয়ারম্যানের ছোটভাই চেয়ারম্যান হামিদুল হক মান্নান, বাকলিয়া থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুন নাহার, মোহাম্মদ জসিম, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম নীরব, যুবদল নেতা আসাদুর রহমান টিপু, মাসুম, নুরুদ্দিন, মুসা, মহিলা দল নেত্রী কোহিনুর বেগম, ফাতেমা বেগম জাহাঙ্গীর।

জয়নিউজ/আরডি/এমজেএইচ
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...