বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ

0

ইয়াবা গডফাদার ও রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

রোববার (১ সে্প্টেম্বর) ভোরে তাকে নিয়ে টেকনাফের হ্নীলা জাদিমোড়া ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে শনিবার (৩১ আগস্ট) সহযোগীসহ আটক হন নুর মোহাম্মদ। ডাকাতি ও যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। নিহত নুর মোহাম্মদ (৩৪) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা জাদিমোরা ২৭নং ক্যাম্পের মৃত রোহিঙ্গা কালা মিয়ার ছেলে।

এদিকে পুলিশ বলছে, বন্দুকযুদ্ধে টেকনাফ থানার ওসিসহ (তদন্ত) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি এলজি, ১টি থ্রি কোয়াটার বন্দুক, ১৮ রাউন্ড গুলি ও ২০ রাউন্ড খালি খোসা।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, শনিবার সহযোগীসহ নুর মোহাম্মদকে আটকের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে ১ সেপ্টেম্বর (রোববার) ভোরে থানার ওসি (তদন্ত) এবিএমএস দোহার নেতৃত্বে পুলিশ তাকে নিয়ে হ্নীলা জাদিমোরা ২৭নং ক্যাম্পের পাহাড়ি জনপদের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধারে অভিযানে যায়। এসময় তার সশস্ত্র সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে নুর মোহাম্মদকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে ওসি (তদন্ত) এবিএমএস দোহা (৩৬), কনস্টেবল আশেদুল (২১) ও অন্তর চৌধুরী (২১) আহত হন। পরে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ নুর মোহাম্মদকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য নুর মোহাম্মদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মেয়ের রাজকীয় কান ছেদন অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনায় ছিলেন রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নুর মোহাম্মদ।

জয়নিউজ/পিডি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...