সাদার্ন ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

0

সাদার্ন ইউনিভার্সিটি ও মাসিক দখিনার উদ্যোগে ‘সহিংসতা : নারী ও শিশু-সমাজের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইউনিভার্সিটির মেহেদীবাগ ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

মাসিক দখিনার সম্পাদক প্রফেসর সরওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শরীফুজ্জামান, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর এ জে এম নুরুদ্দীন চৌধুরী, আইন বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর মহিউদ্দিন খালেদ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইসরাত জাহান, দখিনার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মুশফিক হোসাইন, দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক আবু তালেব বেলাল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মুহাম্মদ জুলকারনাইন ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ শিক্ষকরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বর্তমানে একটি সিরিয়াস ইস্যু কারণ সংবাদপত্রে ও টিভিতে আমরা প্রতিনিয়ত এ ধরনের খবর দেখতে পাচ্ছি। তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে যে বা যারা নারী ও শিশু নির্যাতনে জড়িত তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। সাদা মনের মানুষদের নীরব ভূমিকার কারণে এসব হীনকর্মকাণ্ড আরও বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

গ্রামে সালিশের নামে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রকৃত অর্থে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা সহযোগিতামূলক নয়। অথচ এশিয়ার দেশ জাপানে দেখা যায় প্রত্যেক মানুষ একে অপরের প্রতি আন্তরিক ও সহযোগিতা পরায়ন। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কোনো পরীক্ষা না নেওয়া সরকারের একটি চমৎকার উদ্যোগ। পরীক্ষার চাপমুক্ত সময়ে যদি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দেয় তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে সহিংস আচরণ অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

সেমিনারে নারী ও শিশু নির্যাতনের উপর একটি ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেহেনুমা সুলতানা খান। তিনি শিশু অধিকার ফোরাম থেকে প্রাপ্ততথ্যের ভিত্তিতে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের নারী ও শিশু নির্যাতনের তুলনামূলক হার বিশ্লেষণ করেন। এর আগে বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন নিয়ে আল-জাজিরা চ্যানেলের একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রচার করা হয়।

জয়নিউজ/আরডি/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...