পানির নিচে হাসপাতাল, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা

0

টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে চট্টগ্রামের নিম্নাঞ্চল। এ কারণে সড়ক, বাসাবাড়ি এমনকি হাসপাতালেও ঢুকে গেছে বৃষ্টির পানি। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে নগরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় উঠে গেছে পানি। এতে বন্ধ করে দেওয়া হয় হাসপাতালটির বহির্বিভাগ।

সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে হাসপাতালের নিচতলায় পানি বাড়তে শুরু করে। দুপুরের দিকে তা হাঁটুপানিতে রূপ নেয়। এরপর বন্ধ করে দেওয়া হয় বহির্বিভাগের সেবা। জরুরি বিভাগ, অভ্যর্থনা বিভাগ, টিকিট কাউন্টার, লিফটরুম, বহির্বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও এবাদতখানাও ছিল পানির নিচে। এছাড়া হাসপাতালের সামনের সড়কও ডুবে ছিল পানিতে। এতে হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের চলাচল বিঘ্নিত হয়।

এদিকে পানি ঢুকে যাওয়ায় ৬৫০ শয্যার এ হাসপাতালের নিচতলা থেকে সব রোগীকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

রোগী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা লোকজন জানান, হাসপাতাল ও জাম্বুরী মাঠ, সরকারি কলোনি এবং সিডিএর ড্রেনেজ সিস্টেম ভালো নয়। এ সব ড্রেন দিয়ে সাধারণ বৃষ্টির পানি চলাচল করতে পারে না। উল্টো জোয়ারের পানি হাসপাতাল ও বাসা বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে প্রতিবছর বর্ষাকালে আগ্রাবাদের বাসিন্দাদের লাখ লাখ টাকার জিনিসপত্র নষ্ট হয়।

জানা যায়, ব্যবসায়ীদের মালামাল বার বার পানিতে নষ্ট হওয়ায় ইতোমধ্যে অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র ব্যবসা করছেন। সিডিএ আবাসিকের প্রায় সবকটি পুরাতন বাড়িতে নিচতলায় পানির কারণে ভাড়াটিয়া থাকে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হাসপাতালটির পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক জয়নিউজকে বলেন, বৃষ্টির কারণে দুপুর ১টা থেকে হাসপাতালের নিচতলায় পানি উঠতে শুরু করে। তবে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পানি নেমে যায়। পানির কারণে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি, তবে নিচতলার বর্হিবিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু নিয়মিত এ এলাকায় পানি উঠে, তাই বর্ষা আসলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা করি। পানি উঠার কারণে চলাফেরায় কিছুটা সমস্যা হলেও হাসপাতালের সেবা চালু থাকে।

এদিকে বৃষ্টির কারণে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক, হালিশহর, ছোটপুল, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, খাতুনগঞ্জ ও চাক্তাইসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

জয়নিউজ/আরডি/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...