মুক্তিযোদ্ধাসহ অসচ্ছল ৫ পরিবার পেলেন দুর্যোগসহনীয় গৃহ

0

সীতাকুণ্ডে মুক্তিযোদ্ধাসহ অসচ্ছল পাঁচ পরিবার পেলেন দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ। এগুলো আধুনিকমানের বাংলোর মতো। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দৃষ্টিনন্দন এমন পাঁচটি গৃহনির্মাণ করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ।

প্রতিটি গৃহে দুটি কামড়া, দুটি বারান্দা, একটি রান্নাঘর ও একটি সংযুক্ত টয়লেট রয়েছে। আধুনিক ডিজাইন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সুবিধাযুক্ত এমন ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা সুবিধাভোগীরা।

সীতাকুণ্ডের সৈয়দপুরে মুক্তিযোদ্ধা নূরুল গণিকে দুর্যোগসহনীয় নবনির্মিত বাড়ি বুঝিয়ে দিচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা

একেবারেই ভিন্ন ডিজাইনের ঘরগুলো গ্রামের অন্যান্য গৃহ থেকে আলাদা এবং সুসজ্জিত। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় প্রতিটি ঘরেই দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎসংযোগ।

রোববার ( ১৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ১১ হাজার ৬০৪টি দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে সীতাকুণ্ডে পাঁচটি ও মিরসরাইতে ছয়টি রয়েছে।

সৈয়দপুরের মুক্তিযোদ্ধা নুরুল গণিকে নবনির্মিত বাড়িটি হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মাহাবুবুল হক, চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম নিজামী, সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সভাপতি সৌমিত্র চক্রবর্তীসহ স্থানীয়রা।

সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর জয়নিউজকে জানান, দরিদ্র গৃহহীন পরিবার যাদের কমপক্ষে ৮০০ বর্গফুট (দুই শতাংশ) পরিমাণ জমি রয়েছে অথবা ওই পরিমাণ জমি দান/লিজ অথবা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক প্রাপ্ত হয়ে মালিকানা দখলীয় পরিবারকে ওই কর্মসূচির আওতায় গৃহনির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দে এমন একটি বাসগৃহ পেয়ে তারা আনন্দে মাতোয়ারা সবাই।

উপজেলায় গৃহহীন অসচ্ছল, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে গৃহহীন, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্য নেই- এমন পরিবারগুলোর মাঝে পাঁচটি আধুনিক বাসগৃহ নির্মাণ করেছে ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (টিআর-কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় আধুনিক বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় সীতাকুণ্ডে পাঁচটি পরিবারকে গৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এসব গৃহনির্মাণ করা হয়। নির্মাণ কাজ তদারকি করেন জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা। প্রতিটি বাসগৃহের প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা।

জয়নিউজ/সেকান্দর/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...