অনেকটা দুঃখ ও বেদনাক্লান্ত হৃদয়ে আমার এই পদত্যাগ : মোর্শেদ খান

0

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী না করা এবং তাঁর অনুসারীদের মূল্যয়ন না করায় ক্ষোভে বিএনপি ছাড়লেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান

পদত্যাগপত্রে মোর্শেদ খান লিখেছেন, ‘আজ অনেকটা দুঃখ ও বেদনাক্লান্ত হৃদয়ে আমার এই পত্রের অবতারণা। মানুষের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতেই হয়, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমার বিবেচনায়, সে ক্ষণটি বর্তমানে উপস্থিত এবং উপযুক্তও বটে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মোর্শেদ খান আরও লিখেছেন, বিএনপি এবং আপনার যোগ্য নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। তবে বর্তমানে দৃঢ় বিশ্বাস দেশের রাজনীতি এবং দলের অগ্রগতিতে নতুন কিছু সংযোজনের সঙ্গতি নেই। আমার উপলব্ধি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। বহু বিচার-বিশ্লেষণে বিএনপির রাজনীতি থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিক সদস্যসহ ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছি। অব্যাহতি দিয়ে বাধিত করবেন।

বিএনপির একটি সূত্র জয়নিউজকে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছে। সর্বশেষ দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে তার অনুসারীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। এছাড়া তারেক রহমান সেখানে আবু সুফিয়ানকে তার প্রতিদ্বন্দী হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এক প্রকার ক্ষোভেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

উল্লেখ্য, মোর্শেদ খান বিএনপিতে যোগ দেন ১৯৯১ সালে। এর আগে তিনি ১৯৮৬ সালে সাংসদ হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির ব্যানারে। ১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসে অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। ২০০১ সালেও তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হন নি। তিনি ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ছিলেন। একই সাথে বাংলাদেশ স্পেশাল কমিটি অন ফরেন অ্যাফেয়ার্স এর চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

জয়নিউজ

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...