দেওয়ানহাট-বারিক বিল্ডিং রিকশা চলাচল বন্ধ

0

নগরের মূল সড়কে যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ রিকশা। ধীরগতির এই বাহন রাস্তার যান্ত্রিক যানবাহনের গতি থমকে দিচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে রিকশার জটলার কারণে ভয়াবহ যানজট হয় নিত্যদিন।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে রাস্তার পরিমাণ খুবই কম। একটি মানসম্পন্ন বিশ্বমানের শহরে কমপক্ষে বিশ শতাংশ রাস্তা থাকলেও চট্টগ্রামে এর পরিমান দশ শতাংশেরও কম। বেহাল এই অবস্থার মাঝে প্রধানতম যন্ত্রনা রিকশা। এক লাখের মতো রিকশা চলাচল করে নগরে। এর বাইরে হাজার হাজার অবৈধ রিকশাও চলাচল করে।

অনেকবার দাবিও উঠেছিলো মূল সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ করার। কিন্তু রিকশাচালকদের আন্দোলনের মুখে তা হয়ে উঠেনি। তবে ব্যস্ততম বিমানবন্দর সড়ককে যানজট কমানোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে নগরের দেওয়ান হাট মোড় থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত রাস্তায় রিকশা চলাচল বন্ধ করেছে সিএমপি।

প্রাথমিকভাবে দেওয়ানহাট থেকে বারিকবিল্ডিং মোড় ডর্যন্ত করা হলেও পরবর্তীতে তা বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হবে বলে সিএমপির একটি সূ্ত্র জানিয়েছে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকে দেওয়ানহাট থেকে বারিকবিল্ডিং মোড় পর্যন্ত সড়কের উভয়পাশে রিকশা চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া মাইকিং করে সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।

সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারে (ট্রাফিক) মোস্তাক আহমেদ খান জয়নিউজকে বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়ানহাট থেকে বারিকবিল্ডিং পর্যন্ত সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ করেছি। রিকশা চালকদের বিভিন্ন সংগঠন, সিটি করপোরেশনসহ সকলের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা রিকশা চালকদের সচেতন করছি। আশাকরি ভালোকিছু অপেক্ষা করছে নগরবাসীর জন্য।

এদিকে বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন জীবিকা এই বাহনের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় পুলিশ রিকশা পুরোপুরি বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে পারছে না। মানুষ যাতে বেকার হয়ে না পড়েন সেদিকেও পুলিশকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।

সিএমপির উপ-কমিশনার (বন্দর) মো.তারেক আহমেদ জয়নিউজকে জানান,দেওয়ানহাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কটি ব্যস্ততম সড়ক। এই সড়কের দুই পাশে ব্যাংক ও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে ।এছাড়া বিমানবন্দরগামী যাত্রীরা ও চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (সিইপিজেড) ও কণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা (কেইপিজেড) অবস্থিত কারখানার গাড়িগুলো ওই সড়ক ব্যবহার করায় প্রায় সময়ই স্থবির থাকে। বিশেষ করে দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং অংশে সড়কে প্রচন্ড যানজট লেগে থাকে। যানযট কমানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।

এ বিষয় ট্রাফিক বিভাগের সিদ্ধান্ত স্বাগত জানিয়ে রিকশা মালিক পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিক মিয়া জয়নিউজকে বলেন, দেওয়ানহাট ও বারিক বিল্ডিং এলাকায় সংযোগ সড়কগুলোতে রিকশা চলতে পারবে। শুধু মূল রাস্তায় রিকশা উঠতে পারবে না বলে ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে।

জয়নিউজ

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...