চবিতে ৬ দিন পর আলোচনায় এলো ‘অস্পষ্ট সিদ্ধান্ত’!

0

২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে মানোন্নয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভর্তি জটিলতায় বুধবার আলোচনায় বসে কোর কমিটি। সভা শেষে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা সেটিকে অস্পষ্ট বলে দাবি করেছে।

১ নভেম্বর জয়নিউজে ‘ডিনদের ভুলে চবিতে আবেদনের অযোগ্যরাও দিয়েছে ভর্তি পরীক্ষা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত বছর আবেদনের যোগ্যরা এ বছর আবেদনের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না হলেও অনেকেই পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় স্থান করে নেয়। এ সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

এ নিয়ে বুধবার (৬ নভেম্বর) বিকেল দুইটার দিকে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে কোর কমিটির জরুরি সভা শুরু হয়। পুরো সময় ভুক্তভোগী ভর্তিচ্ছুরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। পাঁচটার সময় একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এসএম আকবর হোছাইন তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।

তবে কোর কমিটির ‘স্পষ্ট’ কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বলা হয়, তোমরা বিষয় নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছ। তবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরবর্তীতে জানতে পারবে তোমরা ভর্তি হতে পারবে নাকি পারবে না।

ভর্তিচ্ছুদের দাবি, প্রথম থেকেই তাদের একই কথা বলে আসছিল প্রশাসন। আগে বলা হয়েছিল বিষয় পছন্দের পর যাচাই বাছাইয়ে তারা বাতিল হয়ে যাবে।

এদিকে সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরও অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরেনি ওই পরীক্ষার্থীরা। এসময় এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাকে চবি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওই পরীক্ষার্থীর নাম সানজিদা ইয়াসমিন।

ভর্তিচ্ছুরা স্থান ত্যাগ না করলে একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরিয়াল বডি বারবার এসে তাদের সরে যেতে বলেন। রাত পৌনে আটটার দিকে তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে।

এ বিষয়ে একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এসএম আকবর হোছাইন বলেন, শীঘ্রই বিষয় পছন্দের তালিকা দেওয়া হবে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় তারা আবেদন করবে।

কিন্তু তারা যোগ্য বিবেচিত হবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রণব মিত্র চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

জয়নিউজ/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...