পাথরঘাটায় ৭ মৃত্যুর কারণ গ্যাসলাইন লিকেজ

0

নগরের পাথরঘাটার ব্রিকফিল্ড রোডের বড়ুয়া ভবনে রাইজার থেকে বাড়ির গ্যাসলাইনের অংশ লিকেজ হওয়ায় বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের সাতদিন পর জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এই কথা বলা হয়েছে।

এছাড়াও তদন্ত রিপোর্টে ভবনটির নির্মাণ ক্রুটির কথাও বলা হয়। রোববার (২৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম শরীফ হোসেন সাংবাদিকদের তদন্ত বিষয়ে স্ববিস্তার বর্ণনা দেন।

এছাড়া ১৩ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনে গ্যাসলাইন দুর্ঘটনা এড়াতে পাঁচটি সুপারিশ করা হয়।

বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ গ্যাস রাইজার পরবর্তী জিআই অংশ থেকে রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রাকৃতিক মিথেন গ্যাস বন্ধস্থানে জমা হয়ে দুই নাম্বার কক্ষে প্রথমে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পূজার জন্য জ্বালানো ম্যাচের কাঠি থেকে এই বিস্ফোরণ হয়।

আরো পড়ুন: পাথরঘাটায় যেভাবে ঘটেছিল বিস্ফোরণ (ভিডিও)

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম শরীফ হোসেন জয়নিউজকে বলেন, বাড়ির অভ্যন্তরীণ গ্যাসলাইনের ত্রুটি এবং বাড়ির মালিক কর্তৃক সৃষ্ট কৃত্রিম শূন্যস্থান জমে থাকা গ্যাস এই দুর্ঘটনায় দায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহসিন বলেন, বিস্ফোরণের দায়ে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলছে। জেলা প্রশাসনের এই রিপোর্ট আমাদের তদন্তে সহযোগিতা করবে। ভবন মালিককে ধরার চেষ্টা অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি।

আরো পড়ুন: পাথরঘাটায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

জেলা প্রসাশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে এই তদন্ত কমিটি বেশ কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং ভুক্তোভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীর মতামত নিয়ে এই রিপোর্ট জমা দেয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ নভেম্বর সকালে পাথরঘাটার ব্রিকফিল্ড রোডের বড়ুয়া ভবনের নিচতলায় গ্যাস নিঃসরণজনিত কারণে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর ঘরটির দেয়াল ধসে পড়ে। এতে ৭ জন নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হয়। এই ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

জয়নিউজ/পার্থ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...