১৫ শিশুকে আলো দিলো অরবিস

0

অরবিস ইন্টারনেশনালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে ইয়াসমিন বিবিসহ ১৫ জন বাংলাদেশে আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় শিশুর ৫ম বারের মতো অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

অস্ত্রোপচারের পর মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে চোখের বাঁধন খুললে ১০ রোহিঙ্গা ও ৫ জন স্থানীয় শিশু স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। পাশাপাশি ওষুধসহ যাবতীয় সেবাও দেওয়া হয়।

অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়া রোহিঙ্গা শিশুরা হল, মো. এরফান (১২), মো. সাদেক(৩), লালু (৩.৫), এনায়েত উল্লাহ (১০), শহীদা বেগম (২), তাসমিনা তারা (৬), মো. সাহেদ (২), ইয়াসমিন বিবি (০.৫), আতাউল্লাহ (১২), সালমান (৩) এবং কক্সবাজারের স্থানীয় মোস্তফা (১২), মো. তারেক (৭), রফিক আলম (১১), রবিউল (১০) ও মোবিন (২)।

রোহিঙ্গা শিবিরের আশপাশে হাসপাতালে চোখের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা না থাকায় চক্ষু হাসপাতালে গত বছরের নভেম্বর থেকে চালু হওয়া এই কার্যক্রমে এ পর্যন্ত ৪০ জন রোহিঙ্গা স্থানীয় শিশুর অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।

কাতার ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্টের (কিউএফএফডি) সহায়তায় অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাস্তবায়িত ‘কাতার ক্রিয়েটিং ভিশন (কিউসিভি) এক্সপান্ডিং আই কেয়ার ইন সাউথ ইস্ট বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় ও কক্সবাজার বায়তুশ শরফ (ক.বা.শ) হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে এই অস্ত্রোপচারে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিচ্ছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল।

অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন চক্ষু হাসপাতালের শিশু সার্জারী বিভাগের ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া।

সহযোগিতায় ছিলেন প্রোগ্রামের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর, নিলুফা ইয়াসমিন,এমআইএস মকবুল হোসেন, কবাশ চক্ষু হাসপাতালের অপটোমেট্রিস্ট মো. আব্দুল আউয়াল শাহ এবং জামিল উদ্দিন বাপ্পি।

প্রসঙ্গত, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে এক লাখের বেশী হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় শিশুর চোখ পরীক্ষার পাশাপাশি প্রায় ৮ হাজার শিশুকে চশমা দেওয়া হয়।

জয়নিউজ/কাউছার/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...