বাড়ি ফেরা হলো না বাবা-ছেলের

0

সপরিবারে বাড়ি ফিরছে সিএনজিচালক নুরুল আলম প্রকাশ নুরু (৩২)। এসময় চট্টগ্রামমুখী সৌদিয়া চেয়ার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে নুরু ও ছেলের মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও আহত হয়েছে তিনজন।

আহতদের মুমূর্ষ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে চকরিয়ার খুটাখালী মইক্ক্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুরু খুটাখালীর হেতালিয়া পাহাড় গ্রামের মৃত ছাবের আহমদের ছেলে ও তার ছেলে মনুর আলম (৮)। সে জলিলিয়া ইবতেদায়ী মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন-সিএনজি চালক নুরুর স্ত্রী ময়কুন নাহার (২২), তার ছোট ছেলে আবদু রহিম ও নুরুর মামাত ভাই নুরুল আলম।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে সপরিবারে বাড়ি ফিরছিলেন সিএনজিচালক নুরু। পথিমধ্যে তার নিকট আত্মীয় পূর্ব গর্জনতলী গ্রামের ছালেহ আহমদের ছেলে শফি আলমকে বাড়ি পৌঁছে দিতে মহাসড়কের মইক্ক্যাঘোনা এলাকায় যায়। এ সময় নুরু শফি আলমকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে সিএনজি নিয়ে খুটাখালী বাজারের দিকে ফিরতে গিয়ে চট্টগ্রামমুখী দ্রুতগামী সৌদিয়া চেয়ার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এ সময় সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে এবং সৌদিয়া বাস পূর্বপাশে খাদে পড়ে যায় এবং দুর্ঘটনাস্থলে বাবা আর ছেলের মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

খুটাখালী ইউপির ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার আবদুল আওয়াল জয়নিউজকে বলেন, সপরিবারে নুরু বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এ ঘটনায় তার বড় ছেলে মনুর আলমও নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছে তার স্ত্রী ও ছোট ছেলে আবদুর রহিম ও মামাত ভাই নুরুল আলম।

মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ জয়নিউজকে বলেন, নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

জয়নিউজ/বিআর
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...