২০২৫ সালে বন্দরের ইয়ার্ডে কোনো ট্রাক থাকবে না

0

বে টার্মিনালের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। আউটার লিংক রোড়ের সঙ্গে বে টার্মিনালের সংযোগ সড়ক থাকবে। এছাড়াও বে টার্মিনালের মধ্যে একটি টার্মিনাল থাকবে, যেখানে আট হাজার ট্রাক রাখা যাবে।  ২০২৫ সালের পর বন্দর ইয়ার্ডে আর কোনো ট্রাক  থাকবে  না।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ এসব তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এ ৩ মিলিয়নস্ ক্লাবে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। আমাদের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বন্দরের দক্ষ কর্মীবাহিনী ও ৩০টির মতো প্রতিষ্ঠানের সর্বাত্মক সহযোগিতার মাধ্যমে।

চেয়ারম্যান বলেন,  দেশ স্বাধীনের পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে পুরোদমে চট্টগ্রাম বন্দর চালু করেন। তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে যেখানে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল ২৯ লাখ ৩ হাজার টিইইউস, যেখানে ২০১৯ সালে হয়েছে ৩০ লাখ ৮৮ হাজার টিইইউস। কার্গো উঠানামা হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টন। কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের এই পরিসংখ্যান চট্টগ্রাম বন্দরের ৩০ বছর মেয়াদি প্রক্ষাপনকে ছাড়িয়ে গেছে।

অতীতের চেয়ে এখন অনেক বেশি  কন্টেইনার বন্দরে রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের কনটেইনার ইয়ার্ডের ধারণ ক্ষমতা অনেক বেড়েছে। বর্তমানে ইয়ার্ডে ৫০ হাজারের বেশি কনটেইনার রাখা সম্ভব হয়। ইতিমধ্যে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের নির্মাণ কাজ পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরকে সার্পোট দিতে আরেকটি টার্মিনাল নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ চলছে।

তিনি আরো বলেন, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের কাজ প্রায় ৫২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বন্দরের নিজস্ব অর্থায়নেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এখানে ৬০০ মিটার জেটিতে এক সঙ্গে ১৯০ মিটার দৈঘ্যের ও ১০ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের তিনটি কনটেইনারবাহী জাহাজ এবং ২২০ মিটার দৈঘ্যের ডলফিন জেটিতে একটি তৈলবাহী জাহাজ ভিড়ানো যাবে। এছাড়া ও এই প্রকল্পের ব্যাকআপ ইয়ার্ড থাকবে প্রায় ১৬ একর। যেখানে ৪ হাজার ৫০০ টিইইউস কনটেইনার ধারণ ক্ষমতা থাকবে।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. জাফর আলম, কমডোর শফিউল বারী, ক্যাপ্টেন মহিদুল হাসান, পরিচালক (প্রশাসন) মমিনুর রশীদ, সচিব মো. ওমর ফারুক, পরিচালক (পরিবহন) মো. এনামুল করিমসহ বন্দরের বিভিন্ন শাখা প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়নিউজ/গিয়াস/পিডি

 

সরাসরি আপনার ডিভাইসে নিউজ আপডেট পান, এখনই সাবস্ক্রাইব করুন।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...