‘৫ শতাংশ ভোটকে ২২ শতাংশ দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন’

0

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনের ৫ শতাংশ ভোটকে নির্বাচন কমিশন ২২ শতাংশ দেখিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে আবু সুফিয়ান বলেন, উপনির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণে অনিয়ম, কেন্দ্র দখল ও হামলার বিষয়ে রিটার্নিং কমকতাকে লিখিত অভিযোগ দিলেও নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণ স্থগিত করেনি।

ভোট শুরু পর থেকে ১৭০টি কেন্দ্রের সবকটি দখল ছিল সন্ত্রাসী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু সুষ্ঠু ভোটের পক্ষে সাফাই গেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই নির্বানের মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হয়েছে নির্বাচন কমিশন একটি ভোটাধিকার হরণের প্রতিষ্ঠান।

নির্বাচনের দিন অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে আবু সুফিয়ান বলেন, ১৫ টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রাপ্ত ভোট ৯১টি। ১৫ কেন্দ্রে বুথ ছিল ৭৬টি এবং ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট ছিল ৭৬ জন। পোলিং এজেন্ট বাদ দিয়ে প্রতি কেন্দ্র ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পড়েছে মাত্র ১টি।

আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ইভিএম মেশিনের পাসওর্য়াড নিয়ে প্রতি বুথে ৭০ থেকে ৮০টি ভোট দিয়েছে।

একাদশ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে সুফিয়ান বলেন, এ নির্বাচনে আমি যে সব কেন্দ্রে ২শ থেকে ৩শ ভোট পেয়েছি, সেসব কেন্দ্রে এ নির্বাচনে আমার ভোট  ১ থেকে ১০টি দেখানো হয়েছে। তার মধ্যে বোয়ালখালী উপজেলার ৪৭নং পোপাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমার ভোট দেখানো হয়েছে মাত্র ১টি। কিন্তু সেখানে আমার এজেন্ট ছিল ৪ জন।

তিনি আরো বলেন, ১৩ জানুয়ারি কোনো সুষ্ঠু ভোট হয়নি। তাই অভিলম্বে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে পুন:নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমদ খান, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী।

জয়নিউজ/কাউছার/পিডি

 

সরাসরি আপনার ডিভাইসে নিউজ আপডেট পান, এখনই সাবস্ক্রাইব করুন।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...