গভীর সাগরে বাঁশখালীর জেলে নিখোঁজ

0

গভীর বঙ্গোপসাগরে ফিশিং বোট থেকে আহম্মদ হোসেন প্রকাশ কালু মাঝি (৩৭) নামে বাঁশখালীর এক জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় ঐ ফিশিং বোট মালিকের ভাই বাদী হয়ে কালু মাঝি নিখোঁজ বলে বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালীর শেখেরখীল ইউনিয়নের মো. ফরিদ আহম্মদের  ‘আহম্মদীয়া’ নামের ফিশিং বোট নিয়ে ১০ দিন আগে ২৮ জন জেলে গভীর সাগরে মাছ ধরতে যায়। ওই বোটের মাঝি হিসেবে ছিলেন আহম্মদ হোসেন প্রকাশ কালু মাঝি। বোটের মালিকও ওই বোটে ছিলেন। পরে বোটের মালিকসহ মাঝিরা ফিরে এসে বলেন যে, নিম্নচাপের ঝড়ো হাওয়ায় ফিশিং বোট থেকে কালু মাঝি ছিটকে পড়ে মারা গেছেন। বর্তমানে বোটের মালিক পলাতক রয়েছেন।

কালু মাঝি গত ১২ বছর ধরে বাঁশখালীর শীলকূপ ইউনিয়নের নুর মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। নুর মার্কেট এলাকায় গেলে কালু মাঝির স্ত্রী আয়েশা বেগম অভিযোগ করেন, ‘আমার স্বামীর কি হয়েছে জানি না। কেউ বলছে হত্যা করেছে, আবার কেউ বলছে সাগরে ডুবে মরেছে। আমার অবুঝ ৪টি কন্যা শিশু নিয়ে খুব কষ্টে আছি। আমার স্বামীর হত্যার বিচার কে করবে? পুলিশ হয়তো বোটের বাকি ২৭ জন জেলেদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা বের হতে পারে। আমি অসহায় বলে কী পুলিশ আমার স্বামীর মৃত্যুর কারণ বের করবে না?

মুঠোফোনে ফিশিং বোটের মালিক মো. ফরিদ আহম্মদ বলেন, ‘কালু মাঝি নিম্নচাপের ঝড়ো হাওয়ায় ফিশিং বোট থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছে। তাঁকে কেউ হত্যা করেনি। ওইদিন ফিশিং বোটে আমিও ছিলাম। নিজ চোখে সব দেখেছি। আমার সাথে টাকা নিয়েও তার কোন বিরোধ ছিল না। গ্রামবাসী ষড়যন্ত্র করছে। ’

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘কালু মাঝি সাগরে নিখোঁজ হয়েছে বলে বোট মালিকের ভাই জিডি করেছে। ওই জিডির প্রেক্ষিতে তদন্ত করা হচ্ছে। মারা গেছে এ খবর কেউ বলেনি। তাছাড়া গভীর সাগরের বিষয়টি তদন্ত ছাড়া তো সঠিক রহস্য বের হবে না।’

জয়নিউজ/হোসেন

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...