‘পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস’ একনেকে অনুমোদন

0

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নকাজে নিয়োজিত কর্মীদের জন্য ‘পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস’  ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

রবিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

একনেকের এ সভায় ‘বিশেষ আমন্ত্রণে’ চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নিজেই উপস্থিত ছিলেন। এ প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

সিটি মেয়র জয়নিউজবিডিকে জানান, পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য ‘পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস’ শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেবকদের জীবনমান উন্নত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনা অনুসারে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা অনুসারে ২৩১ কোটি ৪২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিলো। প্রকল্পে মোট ব্যয়ের মধ্যে ৮০ ভাগ সরকারি ফান্ড (জিওবি) এবং ২০ ভাগ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বহন করবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের কাজে ১ হাজার ৩০৯ জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োজিত। এদের জন্য ‘পরিচ্ছন্ন কর্মী নিবাস’ শীর্ষক এ প্রকল্প গ্রহণ করে চসিক। প্রকল্পে ১৪ তলা বিশিষ্ট সাতটি ভবনে ১ হাজার ৩০৯টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়েছে জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২০ পর্যন্ত। বর্তমানে নগরের মাদারবাড়ি, ফিরিঙ্গিবাজার, বান্ডেল রোড ও ঝাউতলায় চসিকের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে গাদাগাদি করে পরিচ্ছন্নকর্মীরা থাকেন।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, নগরের ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গিবাজারের বান্ডেল কলোনিতে ৩টি, ফিরিঙ্গিবাজারে ১টি, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের ঝাউতলায় ২টি এবং সাগরিকায় চসিকের নিজস্ব জায়গা ১টি ভবন নির্মাণ করা হবে। চসিকের ৭৩ হাজার ২১৩ বর্গমিটার আয়তনের জায়গায় ১ হাজার ৩০৯ পরিবারের জন্য এসব ভবন নির্মাণ করা হবে।

চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশন থেকে প্রকল্পটি ডিপিপি (পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাব) পেয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় অনুমোদন পেয়েছিল।

নগরবাসীদের সেবা প্রদানের লক্ষে পরিচ্ছন্নকর্মীদের উন্নত জীবনযাপনের ব্যবস্থাকরণ, তাদের দারিদ্রতা দূরীকরণ ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা–ই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। একইসঙ্গে পরিচ্ছন্নকর্মীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণসহ বাসস্থান, পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। নির্মিতব্য এসব ভবনে বসবাসকারী পরিচ্ছন্নকর্মীদের প্রতিটি পরিবারের জন্য থাকবে দুটি বেডরুম, একটি রান্নাঘর, দুটি বাথরুম। প্রতিটি ভবনে থাকবে দুটি লিফট।

বিপি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...