বিএনপিকে নিষিদ্ধের দাবি আ জ ম নাছিরের

0

সরকারের কাছে বিএনপির দলীয় সদস্য পদ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষচারা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি করেন।

আ জ ম নাছির বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি ৭৫’র ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছে। সেই অপশক্তি পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়ে জাতীয় চার নেতাসহ হাজার হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করিয়েছে। এই জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শুধু আশ্রয়–প্রশ্রয় দিয়েছেন তা নয়। বিদেশের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে তাদেরকে পুরস্কৃতও করেছেন তিনি।

‘তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে স্বামীর দেখানো পথে হেঁটেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার প্রত্যক্ষ মদদে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়। পরের বছর ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশকে (জেএমবি) দিয়ে ৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা ঘটিয়েছেন।’

একের পর এক ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে তারা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বিধ্বংসী একটি দল। এদেশে তাদের রাজনীতি করার যোগ্যতা নেই। আমি সরকারের কাছে বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং রাজনৈতিক দলের তালিকা থেকে বিএনপিকে বাদ দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।— যোগ করেন তিনি।

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি অরাজনৈতিক সামাজিক আন্দোলন সমাজ প্রগতির আরেকটি মাধ্যম। রাজনৈতিক আন্দোলনে ক্ষমতা দখলের বিষয়টি বড় হয়ে উঠলেও সামাজিক আন্দোলনগুলো সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের সহায়ক। তাই বৃক্ষরোপণ অন্যতম সামাজিক আন্দোলন।

নগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমানের সঞ্চালনায় স্বনির্ভর ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অতিকুর রহমান, ৪৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রুহুল আমিন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা শফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, তথ্যও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী ও কার্যনির্বাহী সদস্য হাজী বেলাল আহমদ প্রমুখ।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...