দুই বাংলার মৈত্রীবন্ধন আরো বাড়ুক 

চট্টগ্রামে মতবিনিময়ে ভারতীয় অধ্যাপক ড. আশিষ

0

শিক্ষা-গবেষণা-সফর নিয়ে দুই বাংলার মৈত্রীবন্ধন আরো বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন অধ্যাপক ড. আশিষ কুমার দাস। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের  বাংলাদেশ স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক ড. আশিষ আজ (রবিবার) জামালখানে জয়নিউজবিডি কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

জয়নিউজের নির্বাহী সম্পাদক বিশ্বজিত বণিকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আহসানুল কবীর পলাশ ও জয়নিউজের প্রধান নির্বাহী বিপ্লব পার্থ। চবি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জয়নিউজ পরামর্শক রাজীব নন্দীর সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন জয়নিউজের রিপোর্টিং ইনচার্জ মাসুদ ফরহান অভি, শিফট ইনচার্জ (এডিটিং) মো. জুলফিকার হোসেন, রিপোর্টার কাউসার খান, পার্থ প্রতীম নন্দী ও মো. ফয়সাল, সহ-সম্পাদক আলপনা দাশ ও শহিদুল ইসলাম, আলোকচিত্রী বাচ্চু বড়ুয়া ও জিসানুল ইসলাম।

ড. আশিষ বলেন, দুই বাংলার নৈতিক সম্পর্ক ১৯৭১ সাল থেকেই ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে উৎসাহী। বাংলাদেশেরও এক্ষেত্রে আগ্রহের কোনো কমতি নেই। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকার কারণে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ভারতের প্রতি সবসময় একটি ইতিবাচক ধারণা কাজ করে।

তিনি বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতার লড়াই শুধু নয়; এটি একটি চেতনা। আমি যেটুকু বুঝতে পারছি, এ চেতনা এ দেশের তরুণদের কাছে ফিকে হয়ে যাচ্ছে। যুবসমাজের কাছে এ চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব গণমাধ্যমের।

তিনি আরো বলেন, চারটি মূলনীতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ভারত এই নীতিগুলোর সঙ্গে একমত ছিল বলেই মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল ভারত। সে নীতি থেকে বাংলাদেশ কখনো যেন সরে না আসে।

ড. আশিষ বলেন, রাষ্ট্র হল জনগণের। আর্থিক জিডিপি কত বেড়েছে তার উপর নির্ভর করে দেশের আর্থিক সমৃদ্ধি। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা বেশ সরব থাকি। কিন্তু সাংস্কৃতিক জিডিপি কত তা নিয়ে আমাদের কথা নেই। অথচ সাংস্কৃতিক চেতনাবোধ থেকেই ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল। অসাম্প্রদায়িকতাকে ভিত্তি ধরেই রাষ্ট্র গড়তে হবে। সাম্প্রদায়িক শক্তির হাতে দেশকে তুলে দেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি যখন বাংলাদেশে আসব বলে ঠিক করেছি তখন পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন বললেন- এ দেশ নিরাপদ নয়। কিন্তু এখানে আসার পর আমি রাত ১টা-২টা পর্যন্ত রাজপথে ঘুরেছি। কখনো নিজেকে অনিরাপদ মনে হয়নি। তাই জয়নিউজের দায়িত্ব নিতে হবে বাংলাদেশ সম্পর্কে কতিপয় মানুষের নেতিবাচক ধারণা পাল্টে দেওয়ার।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...