লোহাগাড়ায় নির্বাচন: আ.লীগে ডঙ্কা, বিএনপিতে শঙ্কা

0

লোহাগাড়ায় ইউপি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে বাজছে ডঙ্কা। অপরদিকে বিএনপিতে ভর করেছে শঙ্কা। আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে লোহাগাড়ার তিন ইউনিয়নের নির্বাচন।

লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন, আমিরাবাদ ইউনিয়ন ও আধুনগর ইউনিয়নে  নির্বাচন হবে। নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই সরব ছিলেন আওয়ামী লীগের আগ্রহী প্রার্থীরা। দলের মনোনয়ন পেতে মাঠে ছিলেন দলের বেশ কয়েকজন নেতা।

আওয়ামী লীগের টিকিট পেতে এবার বেশ কয়েকজন নেতা তৎপর ছিলেন। এজন্য উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে স্থানীয় সাংসদ, এমনকি কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও কেউ কেউ লবিং করেন। তবে গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত হলে সব দৌড়ঝাঁপের অবসান হয়।

এ ব্যাপারে লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী জয়নিউজকে বলেন, যেহেতু দল ক্ষমতায় আছে সেহেতু মনোনয়নপ্রত্যাশী একটু বেশি ছিল। যেসব নেতা দলের জন্য এবং এলাকার জন্য কাজ করেছেন তাদের দলীয় মনোনয়ন দিতে সুপারিশ করেছে লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ।

লোহাগাড়ায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সদর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, আমিরাবাদ ইউনিয়নে সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ইউনুছ এবং আধুনগর ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল কবির।

এদিকে নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে। দলের প্রার্থীদের জয়ী করে আনতে তারা মাঠে বেশ তৎপর রয়েছেন।

অপরদিকে বিএনপির দুইজন প্রার্থীর নাম পাওয়া গেলেও আরেক ইউনিয়নে কোনো প্রার্থীর নাম পাওয়া যায়নি। লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন থেকে বিএনপির হয়ে খোরশেদ আলম সিকদার এবং আধুনগর ইউনিয়নে আবু নাসের চৌধুরী ভোট করবেন বলে জানা গেছে। কিন্তু আমিরাবাদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো প্রার্থীর নাম পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন হতে যাওয়া তিন ইউনিয়নেই বিএনপি-জামায়াতের ভালো সমর্থক রয়েছে। কিন্তু ভোট নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে তেমন কোনো উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আসহাব উদ্দিন চৌধুরী জয়নিউজকে বলেন, লোহাগাড়ায় বিএনপির যথেষ্ট সমর্থন আছে। সুষ্ঠ ভোট হলে জয়লাভে আশাবাদী। কিন্তু বিগত দিনের মতো ভোট হলে কিছুই করার নেই। এ কারণে প্রার্থীদের হতাশাও আছে।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির অপর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, দীর্ঘদিন ভোটের অধিকার থেকে মানুষ বঞ্চিত। এ কারণে মানুষ বিএনপি প্রার্থীকে ভোট দিবে। তবে সুষ্ঠ ভোট নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

জয়নিউজ

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...