গুচ্ছ পদ্ধতি: পরীক্ষায় বসতে কোন বিভাগে কত জিপিএ লাগবে

0

দেশের ১৯টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সব ইউনিটের জন্য ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নপত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন বিভাগ থেকে কত জিপিএ দরকার সেটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) এ পরীক্ষার মান বণ্টন ও পরীক্ষা পদ্ধতিসহ এ সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষায় অংশ নিতে বিজ্ঞান বিভাগে লাগবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএর ৭.০০ পয়েন্ট। তবে চতুর্থ বিষয় কাউন্ট করা হবে না। ব্যবসায় শিক্ষায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএর চতুর্থ বিষয় ছাড়া ৬.৫০ এবং মানবিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মোট জিপিএর চতুর্থ বিষয় ছাড়া ৬.০০।

এতে যেসব শিক্ষার্থীরা এর কম জিপিএ নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হবেন, তারা এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সভা শেষে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভায় অংশ নেওয়া যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় কমিটি শুধু পরীক্ষাটা নেবে। পরীক্ষার ফল দেওয়ার পর কোন বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে ভর্তি নেবে সেটা তাদের ব্যাপার। এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর কত মার্ক যোগ করা হবে, গ্রুপ পরিবতর্ন ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভর করবে।

পরীক্ষায় সেকেন্ড টাইমাররাও অংশ নিতে পারবে বলে জানা গেছে। অর্থাৎ যারা গত বছর ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে তারাও এবারের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার যুগ্ম আহ্বায়ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নিতে পারবে। তবে তাদের ভর্তির বিষয়টি ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। আমরা পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দিয়ে দেবো।

‘এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা ভর্তি হতে পারবে আর কারা পারবে না সেটি জানিয়ে দেবে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি সেকেন্ড টাইম দেওয়াদের ভর্তি নিতে না চায় সেটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার।’

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...