শেষ সেশনে দিনটা বাংলাদেশের

0

সাগরিকায় টেস্টে ‘বিগম্যান’ রাকিম কর্নওয়ালের স্পিনকে রুখতে পারলেও বাঁ-হাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান ছড়িয়েছেন ভয়। তার ঘূর্ণির পরও শেষ বেলাটা সহজেই পার করেছেন সাকিব আল হাসান ও লিটন দাস। চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথমদিন শেষে বাংলাদেশ তাই ৯০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪২ রান তুলেছে।

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টস জিতে জহুর আহমেদর চৌধুরী স্টেডিয়ামের খট-খটে উইকেটে ভালো শুরুর আভাস দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু অভিজ্ঞ কেমার রোচের চেনা অস্ত্রে বোল্ড হয়ে দলের ২৩ রানে ফিরে যান তামিম ইকবাল। তিনি খেলেন ৯ রানের ইনিংস।

অন্যদিকে অবিচল ওপেনার সাদমান ইসলামের সঙ্গে ভালো জুটির আভাস দেন নাজমুল শান্ত। কিন্তু দুই তরুণের জুটিটা ঠিক জমেনি। তিনে নেমে শান্ত ২৫ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন।

দু’পাশ থেকে স্পিন আক্রমণ শুরুর আগে ৬৬ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেই চাপ অধিনায়ক মুমিনুল হককে নিয়ে সামাল দেন ইনজুরির কারণে দুটি সিরিজ মিস করা সাদমান ইসলাম। তারা যোগ করেন ৫৩ রান। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় খেলতে থাকা মুমিনুল হুট করেই মেজাজ হারান। বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান ওয়ারিক্যানের বলে ২৬ রান করে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।

এরপর মুশফিকের সঙ্গে সাদমান নতুন জুটি গড়লেও তা বেশি দূর এগোয়নি। বরং ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি করে ক্রিজে দারুণ সেট হওয়া সাদমান ব্যক্তিগত ৫৯ রানে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন। ওয়ারিক্যানের ফুল লেন্থের সুইপ করা বলটা অবশ্য স্টাম্পের বেশ বাইরে দিয়েই গেছে। কিন্তু সাদমান কিংবা নন-স্ট্রাইকে থাকা মুশফিক বুঝে উঠতে পারেননি। রিভিউও তাই নিতে পারেননি।

ছোট ছোট জুটি দিয়ে এগোনো বাংলাদেশ চার উইকেট হারানোর পরে মুশফিক এবং সাকিবে আশা দেখছিল। কিন্তু ওই জুটিও তেমন কিছু করতে পারেননি। বাঁ-হাতি অফ স্পিনার ওয়ারিক্যান স্লিপে মুশফিকেক ক্যাচে পরিণত করেন। দেশের সর্বোচ্চ টেস্ট রান সংগ্রাহক ৩৮ রানে সাজঘরে ফেরান। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৫ উইকেটে ১৯৩। শেষ বেলায় সাকিব-লিটনের একজন ফিরলেই চিন্তায় পড়তো বাংলাদেশ।

কিন্তু লিটন এগিয়ে এসে শেষটা সামাল দিয়েছেন। তিনি সাকিবের সঙ্গে শিশির ভেজা উইকেটে যোগ করেন শেষ বেলায় ৫১ রান। ওই জুটিতেই স্বস্তি নিয়ে প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। সাকিব দ্বিতীয় দিন ৩৯ রানে ব্যাট করতে নামবেন। তাকে সঙ্গ দেবেন ৩৪ রানে অপরাজিত থাকা লিটন।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...